বুধবার ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭
  • প্রচ্ছদ » সারা দেশ » কাউন্সিলর স্বাগতের উপর হামলার নেপথ্যে মাদক, চাঁদাবাজি ও প্রতারণা ব্যবসা
বিশেষ নিউজ

কাউন্সিলর স্বাগতের উপর হামলার নেপথ্যে মাদক, চাঁদাবাজি ও প্রতারণা ব্যবসা


NEWSWORLDBD.COM - October 2, 2017

আবির হাসান, মৌলভীবাজার থেকে ফিরে
প্রকাশ্য কোনও আয় নেই, তবুও তাঁর বিলাসবহুল জীবন। কাউন্সিলর হওয়ার সুবাদে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে চাঁদাবাজি ছাড়াও জমি দালালি, ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসাসহ অন্যান্য অসামাজিক বিভিন্ন কার্যকলাপ তাঁর আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস কাউন্সিলর স্বাগত কিশোর দাস চৌধুরীর।

শান্ত শহর মৌলভীবাজার যখনই অশান্ত হয় তখনই অবধারিতভাবে উঠে আসে স্বাগত কিশোর দাস চৌধুরীর নাম। মৌলভীবাজার সরকারী কলেজে আলমাস হত্যা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সংঘর্ষ সহ বিভিন্ন মামালার শীর্ষ আসামি তিনি। নাটের গুরু হিসেবে সবসময় থাকলেও তিনি ছিলেন অন্যদের ধরাছোয়ার বাইরে। যেখানে অন্যান্য বিরোধী নেতারা একই মামলার আসামি হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, তখন স্বাগত কিশোর বহাল তবিয়তে শহরে শুধু বিরোধী রাজনীতিই করছেন না, নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী আর সরকারী দলের ছায়ায় ২০১১ এবং ২০১৫ সালে হয়েছেন মৌলভীবাজার পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। নির্বাচনে পূর্বেই অন্যান্য প্রার্থীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে সরিয়ে রাখা ছিল তাঁর প্রধান কৌশল। যার শুরু হয়েছিল ২০০৫ সালের পৌর নির্বাচনে। সরকারী দল থাকাকালীন সময়ে মৌলভীবাজারের ইতিহাসে প্রথম এবং একমাত্র নির্বাচন যা পুরো কেন্দ্র দখল করে ভোট শেষ হবার পূর্বেই নিজে জয়ী ঘোষণা করে কাউন্সিলর হয়েছিলেন স্বাগত কিশোর দাস চৌধুরী।

জাতীয়তাবাদী সেচ্ছাসেবক দলের মৌলভীবাজার জেলার আহবায়ক তিনি। কিশোর বয়স থেকেই সময়কে কাজে লাগানোকে পেশা হিসেবে নেয়ায় বিভিন্ন দলের কর্মী থেকে নেতাদের সাথে ছিল সু-সম্পর্ক। ছাত্রলীগে মনে প্রাণে আঁকড়ে থাকার পণ নিয়ে রাজনীতি শুরু করতে চাইলেও অতি আত্মবিশ্বাস এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক মানসিকতার কারণে সেখানে সুযোগ না পেয়ে যোগ দেন ছাত্রদলে। জন্মগত সময়কে কাজে লাগানোর মানসিকতাই তাকে প্রতিষ্ঠিত করে জেলার ছাত্রদল নেতা হিসেবে। নিজেকে শীর্ষে পৌঁছানোর জন্য ত্যাগ করেন এই দলেই সুযোগ দেয়া সিনিয়র নেতাদের। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন ডিগবাজিবাদ ছাত্রনেতা হিসেবে। বিরোধী রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত হলেও ভুলে যাননি ছাত্রলীগ বন্ধুদের। সেজন্যে দৃশ্যমান বন্ধুদের মধ্যে ছাত্রলীগ নেতাদেরই দেখা যায় অধিকাংশে। সরকার দলের নেতাদের কাছে পেয়ে বেপরোয়া আচরন ফুটে উঠে তাঁর মধ্যে।

এরমধ্যেই গত ২২ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) রাতে হামলা হয় স্বাগত কিশোরের উপর। তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হয় জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের উপর। কারন দেখানো হয় ব্যাবসায়ীক দ্বন্দ্বকে।

অনুসন্ধানে জানা যায় স্বাগত কিশোর দাস চৌধুরীর কোন প্রকাশ্য ব্যবসাই নেই! তাহলে ব্যাবসায়ীক দ্বন্দ্ব কোথা থেকে আসে, আর জেলা যুবলীগের শীর্ষ নেতার উপর মামলা কেনো?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্বাগত কিশোর দাস চৌধুরীর রাজনৈতিক সহকর্মিদের কাছ থেকে জানা যায়, নিজের বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডের কারণে হামলার স্বীকার হলেও জেলা বিএনপির অপূর্ণ কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের নামে মামলা দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা নেয়াই স্বাগত কিশোরের উদ্দেশ্য।

চাঁদাবাজি, জমি দালালি, ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসা, অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে আয়, বাসা ক্রয়-বিক্রয় এবং নির্মাণে চাঁদার খোজে অনুসন্ধানে বেড়িয়ে আসে তাঁর বিভিন্ন তথ্য।

কাউন্সিলর হওয়ার কারনে পৌরসভার ময়লার গাড়ি দিয়ে সৈয়ারপুর নদীর চরে জায়গা দখল করে বিক্রি করা ছিল অর্থ আয়ের উৎস। রাখালতলি, শ্মশান ঘাটের জায়গা, নদীর চরের জায়গা তার মধ্যে অন্যতম। এরমধ্যে প্রায় চার মাস আগে সৈয়ারপুরের বাবর রহমানের জায়গায় পৌরসভার ময়লার গাড়ি দিয়ে ময়লা ফেলে জায়গা দখল করা চেষ্টা করলে মেয়র ফজলুর রহমানের হস্তক্ষেপে তা সমাধান হয়। ২০১৬ সালের নভেম্বর। স্বাগত কিশোর দাস চৌধুরী নদীর চরের মানুষদের উচ্ছেদের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের নামে একটি নোটিশ প্রদান করেন। নাটক সাজিয়ে চরের পরিবারদের জানান উচ্ছেদটি বন্ধ করা যাবে এবং এর জন্যে ৩০ টি পরিবারের কাছ থেকে ২ (দুই) হাজার টাকা করে চাঁদা তুলেন। এরমধ্যে চরের একজন বাসিন্দা সৈয়ারপুর এলাকার রুনু মিয়ার সাথে আলাপ করেন। রনু মিয়ার সন্দেহ হলে তিনি মেয়রের সাথে আলাপ করেন এবং জানতে পারেন এটি সম্পূর্ণ জাল কাগজের ভূয়া নোটিশ। পরবর্তীতে স্বাগত কিশোর উত্তোলনকৃত টাকা ফেরত দেননি।

এছাড়া গরিব কৃষকরাও রক্ষা পাননি কাউন্সিলরের হাত থেকে। গত বছরের ২০ ডিসেম্বরে প্রতিদিনের মতো গ্রামের গরীব কৃষক ও মৎসজীবিরা আসে শহরে নিজস্ব ক্ষেতের সবজি বিক্রি করতে। এখানেও স্থানীয় কাউন্সিলর স্বাগত কিশোর দাস চাদাঁ দাবি করেন এবং এক পর্যায়ে মারধর করে সবজি বিক্রেতা ও মাছ ব্যবসায়ীদের। জানা যায়, স্বল্পমূল্যে ক্রয় নিয়ে সমস্যা থেকে চাঁদা দাবী করেন স্বাগত কিশোর। তাছাড়া মেয়ে সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে শমসেরনগর রোডস্থ গোপিকা দে’র কাছে চাঁদা দাবী করেন স্বাগত কিশোর দাস। গোপিকা দে টাকা দিতে অস্বীকার করলে ২০১৬ সালের ২১ ডিসেম্বর ফুটপাত উচ্ছেদের নামে গোপিকা দের দোকান থেকে ৫০ হাজার টাকার মালামাল জোর করে নিয়ে যান স্বাগত কিশোর। ২০১৬ সালের ২১ ডিসেম্বর শমসেরনগর রোডস্থ নিউ আর পি হার্ডওয়্যারের স্বত্তাধিকারি শশাংক পালের কাছে চাঁদা দাবী করেন স্থানীয় কাউন্সিলর স্বাগত কিশোর। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খান এন্টারপ্রাইজের মালিকানাধীন গাড়ি আরপি হার্ডওয়্যারের সামনে স্ল্যাব ভাঙ্গা নিয়ে সৃষ্ট সমস্যা থেকে শশাংক পালের কাছে দাবীকৃত টাকা না পেয়ে পৌরসভার উচ্ছেদের নামে নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে মারধর শুরু করেন। এক পর্যায়ে দোকানের কর্মচারি বেলচা দিয়ে পাল্টা আক্রমন করলে স্বাগত কিশোর আহত হয়। কিছু পরে সেচ্ছাসেবক দলের ক্যাডাররা যোগ দিয়ে নিউ আর পি হার্ডওয়্যার ভাংচুর করে তাকে উঠিয়ে নিয়ে যায়।

পরবর্তীতে মৌলভীবাজার চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি কামাল হোসেন শশাংক পালকে উদ্ধার করেন। চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারী ফাটাবিল গীর্জ্জাপাড়া নিবাসী সাধন দাস তার পুরাতন বাড়িতে বাউন্ডরির কাজ শুরু করলে স্বাগত কিশোর তাতে বাধা প্রদান করেন। না জানিয়ে কাজ শুরু করায় কাজ বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দেন তিনি। চলিত বছরের মে মাসে হিন্দু প্রবাসী বাবুল সূত্র ধর নদীর পাড়ে ৩ (তিন) শতক ভুমি ক্রয় করলে ৩০,০০০/-টাকা চাঁদা দাবী করেন ও গ্রহণ করেন স্বাগত কিশোর। পরবর্তীতে বাবুল সূত্র ধর প্রবাসে চলে গেলে ঐ জায়গায় প্রথমে পৌরসভার ময়লার গাড়ি দিয়ে ময়লা ফেলে রাস্তা তৈরীর কথা বলে দখল নেন স্বাগত কিশোর। পরবর্তীতে ঐ জায়গা রাজা মিয়ার কাছে ৩ (তিন) লক্ষ টাকা দখল বিক্রি করেন। মৌলভীবাজার মহিলা কলেজ এর প্রফেসর অমলেন্দু দেব নাথ ফরেস্ট রোডে জায়গা ক্রয় করে বাসা তৈরী করেন। পার্শ্ববর্তী জায়গার মালিকের সাথে সীমানা নিয়ে বিবাদ দেখা দিলে কাউন্সিলর স্বাগত কিশোর বিচার সালিশ না করে নিজ সিদ্ধান্তে প্রফেসর সাহেবের দেয়াল ভেঙ্গে জায়গা দখল দেন। পরবর্তীতে জানা যায় অপর পক্ষের বড় অক্ষের টাকা খেয়ে এই অন্যয় কাজ করেন স্বাগত কিশোর। কালাশা ইলেকট্রিক এর স্বত্তাধিকারি সৈয়ারপুর মাঝেরহাটি সড়কে নতুন বাসা তৈরী করার পর চাঁদা দাবী করলে পৌর মেয়রের হস্তক্ষেপে তা সমাধান হয়। টাকা ছাড়া কোন কাজে হাত না দেয়া স্বাগত কিশোর এর কাছে টাকাটাই মূখ্য।

পাশে বাসার নারায়ন সূত্র ধর এর মেয়ে অলহা গ্রামের ভন্ডপীর সাথে পালিয়ে বিয়ে করে। পরবর্তীতে নারায়ন সূত্রধর তার মেয়েকে ফিরিয়ে আনতে চাইলে স্বাগত কিশোরের সহায়তা চাইলে তিনি ১ (এক) লক্ষ টাকা দাবী করেন। মেয়েকে এনে দেবার শর্তে নারায়ন সূত্র ধর ১ (এক) লক্ষ টাকা প্রদান করেন। অন্যদিকে স্বাগত কিশোর ভন্ডপীরের কাছ থেকে ৫০,০০০/- টাকা নিয়ে নারায়ন সূত্রধরের মেয়েকে আনার কোন ব্যবস্থাই করেনি। মাঝেরহাটি সড়কের সাবেক কাউন্সিলর ফারা মিয়া। নিঃসন্তান থাকায় দত্তক নেন নিলু এবং বিপ্লব নামের দুই সন্তানকে। ভাই-বোনের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা দেখা দিলে স্বাগত বিচার করে দেন, কিন্তু সেটা পুরোপুরি মিমাংসা হয়নি। প্রবাস থেকে ফিরে বিপ্লব স্বাগতের সহযোগিতায় বাসার অর্ধেক দখল নেয় এবং সেটার ভাড়া হিসেবে মাসে ৮০,০০০/- টাকা সংগ্রহ করতে থাকে। এরমধ্যে প্রতিমাসে ২০,০০০/- স্বাগত কিশোর চাঁদা হিসেবে নিতেন। এক পর্যায়ে জায়গাটি বিক্রি হয়ে গেলে সে টাকা বন্ধ হয়ে যায়। মাসিক চাঁদা বন্ধ হওয়ায় ক্ষোভ থেকে যায় স্বাগত কিশোরের মনে। বিভিন্নভাবে চাঁদা দাবী করতে থাকে এই বাসা থেকে। এছাড়াও শমসেরনগর রোডস্থ মাতৃ ইলেকট্রনিক্স এর কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা গ্রহন করেন স্বাগত কিশোর। ২০১৬ সালে চৌমোহনার স্টুডেন্ট লাইব্রেরীর সন্তোস দাস ১ নং ওয়ার্ডে বাসা তৈরীর সময় ৫ হাজার টাকা চাঁদা প্রদান করেন। মৌলভীবাজার পৌরসভার লাইসেন্স বিভাগের চাকুরীরত একজন এক মহিলার সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়েন। ঐ মহিলার স্বামী কাউন্সিলর স্বাগত কিশোরের কাছে বিচারপ্রার্থী হলে স্বাগত কিশোর এই সুযোগে পৌরসভার চাকুরীরত সেই ব্যাক্তিকে জিম্মি করে ২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন। সাবেক কাউন্সিলর ফারা মিয়ার জায়গা বিক্রি করতে চাইলে স্বাগত কিশোর ক্রেতা সূফি মিয়া নামের ব্যাক্তিকে খোঁজে এনে ৪ লক্ষ টাকা ক্রয় বাবদ অগ্রিম ব্যবস্থা করেন। পরবর্তীতে টাক ফেরত চাইলে সুফি মিয়াকে হুমকি দেয়া হয়।
এছাড়াও মেয়র কাপে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যাক্তিদের কাছ থেকে জোর করে চাঁদা উত্তোলনের জন্য এলাকায় চাদাঁবাজ কাউন্সিলর হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন কাউন্সিলর স্বাগত কিশোর দাস চৌধুরী। এছাড়া বর্ষিজোড়া নিবাসী হারুন মিয়াকে গত জুলাই মাসে শ্যামলী রোডে মারধর করে হাত পা ভেঙ্গে নদীতে ফেলে দেয়ার হুমকি দেন স্বাগত কিশোর। শুধু তাই নয়, শাহমোস্তফা কলেজের পাশে রাস্তা দেবে গেছে বলে ৫ লক্ষ টাকা দাবী করেন স্থানীয়দের কাছ থেকে। তাছাড়া ফরেস্ট রোডের বাসিন্দা রাসেল কিছু জায়গা বিক্রি করলে ১৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করা হয়। কাউন্সিলর স্বাগত দাস এলাকার মনা মিয়াকে গত বছরের জুনে নিজের লোককে ইয়াবা বিক্রি করতে বাধা দেয়ায় পুলিশের কাছে গাজা সহ ধরিয়ে দেয়।

শুধু চাদাঁবাজি-সন্ত্রাসী কর্মকান্ডই নয়; চরের রত্না,শ্যামলীদের দিয়ে দেহ ব্যবসা পরিচালনা করে থাকেন স্থানীয় কাউন্সিলর স্বাগত কিশোর চৌধুরী। এছাড়াও ইয়াবা পরিচালনার জন্য রয়েছে জুবেদ, কুটু, মিজান, কানন, রাজন, সুভারা।

একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অবৈধ কর্মকান্ডের শাসন করছেন কাউন্সিলর স্বাগত কিশোর দাস চৌধুরী। কাউন্সিলরের দীর্ঘদিনের অত্যাচারে, অবৈধ র্কমকান্ড, জায়গা দখলসহ নিরিহ মানুষকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো ও ইয়াবা, গাজা সহ অবৈধ ব্যবসা, এলাকার যুব সমাজকে ধ্বংসের প্রতিবাদে সৈয়ারপুর কামাল আহমদের বাড়িতে প্রায় ৫০০ লোকের এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি। পরবর্তীতে ঐ সভার সিন্ধান্ত অনুযায়ী গত ১০ ফেব্রুয়ারি সৈয়ারপুর শ্মশার ঘাট এলাকায় প্রায় ২ হাজার লোকের উপস্থিতিতে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। যা ভাবিয়ে তুলেছিল কাউন্সিলরকে।
এ রকম অসংখ্য চাঁদাবাজি, কাউন্সিলর হওয়ার সুবাধে সাধারণ মানুষকে অত্যাচারের ঘটনার সুর্নিদিষ্ট তথ্য এ প্রতিবেদকের কাছে এসেছে।

গত ১৫ বছরের রাজত্বকে এগিয়ে নিতে আগামী পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপির দলীয় প্রতীকে অংশ নেয়ার প্রত্যয়ে বাধা আসায় কিছুদিন নিরব থাকলেও স্বাগত কিশোর দাসের নিজস্ব বাহিনীর লোকরা নিজেদের পরিবর্তন করতে পারেননি এতটুকু। ফলাফলে নিজ দলের কোন্দল, এলাকায় গত কয়েকমাসে বাধার সম্মুখীন হওয়া এবং সকল কার্যের মিশ্রনে শত্রু সৃষ্টির ফলে স্বাগত কিশোর দাস চৌধুরীর বর্তমান হামলা বলে লক্ষনীয়ভাবে প্রকাশ পায়।

যে কোনো সংবাদ জানতে আমাদের ফেসবুক পেজ 'লাইক' করতে পারেন (এই লাইনের নিচে দেখুন)...






-

Chief Editor & Publisher: Advocate Golzer Hossain

NEWSWORLDBD.COM
email: [email protected]
Phone: +8801787506342

©Titir Media Ltd.
Sonartori Tower, Banglamotor
Dhaka-1205, Bangladesh.