নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারের শেষ বছরে আচমকা মন্ত্রিসভার আকার বাড়ালেন শেখ হাসিনা। বর্তমান মন্ত্রিসভায় নতুন করে যুক্ত হলেন তিনজন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রী। এঁদের মধ্য একজন প্রতিমন্ত্রী পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হলেন।
আচমকা মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী বছর শুরু করে ফেলল সরকার। মঙ্গলবার শপথ নেওয়া চারজনের মধ্য তিনজনই নতুন মুখ। রাজনৈতিকভাবেও তাঁরা অনেকটা অচেনা। ক্ষমতাসীন দলের সূত্র জানায়, বর্তমান মন্ত্রিসভায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কেউ পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্বে নেই। এ জন্য নারায়ণ চন্দ্র চন্দকে মন্ত্রী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মোস্তাফা জব্বার ও লক্ষ্মীপুরের সাংসদ এ কে এম শাহজাহান কামাল। আর রাজবাড়ীর সাংসদ কাজী কেরামত আলী প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
এই চারজন নিয়ে হলে মন্ত্রিসভার সদস্য হলেন প্রধানমন্ত্রী সহ ৫৪ জন। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া পূর্ণমন্ত্রী ৩৩ জন, প্রতিমন্ত্রী ১৮ জন এবং উপমন্ত্রী ২ জন। এ ছাড়া মন্ত্রী পদমর্যাদায় উপদেষ্টা আছেন ছয়জন। এর বাইরে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ মন্ত্রী পদমর্যাদায় বিশেষ দূত।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নতুন চারজনকে শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মোস্তাফা জব্বার ও লক্ষ্মীপুরের সাংসদ এ কে এম শাহজাহান কামাল। আর রাজবাড়ীর সাংসদ কাজী কেরামত আলী প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি শপথ নেন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকারের ২৯ মন্ত্রী, ১৭ প্রতিমন্ত্রী ও ২ উপমন্ত্রী। এই মন্ত্রিসভায় জাতীয় পার্টির ৩ জন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির ও জাসদের ১ জন করে স্থান পান। ওই বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রথম দফায় মন্ত্রিসভার কলেবর বৃদ্ধি পায়।


