শনবিার ছলি ফারুকীর ৪২তম জন্মদনি। এ উপলক্ষে স্ত্রী ও অভনিত্রেী নুসরাত ইমরোজ তশিার সারপ্রাইজ র্পাটতিে সক্তি হলনে জনপ্রয়ি নর্মিাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। ফারুকীর জন্মদনিকে কন্দ্রেকরে জাতীয় দলরে ক্রকিটোর সাকলি আল হাসানরে রষ্টেুরন্টে সাকবি’স ডাইন-এ র্পাটরি আয়োজন করা হয়। আর ফারুকীকে সারপ্রাইজ দতিে সে অনুষ্ঠানে যোগ দতিে খুলনা থকেে ছুটে আসনে সাকবি আল হাসান। অনুষ্ঠানে সাকবি আল হাসান ছাড়াও আনসিুল হকসহ বশে কয়কেজন অভনিতো ও নর্মিাতা উপস্থতি ছলিনে।
অনুষ্ঠান শষেে ফারুকী তার প্রতক্রিয়িা জানাতে গয়িে ফসেবুক ষ্ট্যাটাসে লখেনে, ফারুকীর দওেয়া স্ট্যাটাসটি ছলি এমন…
কালকে সন্ধ্যা থকেে আমি রডেি হয়ে ঘুরছলিাম সারপ্রাইজ পাওয়ার আশায়। আমি কাজরে উসলিায় বাসার বাইরে ছলিাম যাতে তশিার পক্ষে আমাকে সারপ্রাইজ দযে়ার আয়োজন করতে সুবধিা হয়। রাত এগারোটায় বাসায় গযি়ে বাচ্চুর সাথে দাবা খলেতে বস।ি আমার সকল মনোযোগ কন্তিু ঘড়রি দকি,ে অপক্ষো দখোর তশিা কি সারপ্রাইজ দযে়। বারোটা বাজলো। তশিা শুকনা মুখে উইশ করলো। তারপর তার বোনকে নযি়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লো।
আমি বছিানায় শুয়ে শুয়ে অপক্ষোয়। ভাবছি এই শুরু হবে সারপ্রাইজ র্পাট।ি সবাই হুড়মুড় করে ঘরে ঢুকব।ে
দুইটা বাজ।ে
নো সারপ্রাইজ।
ভগ্নহৃদয়ে ঘুমযি়ে পড়লাম।
প্রমে বুঝি শুকযি়ে গলেো আমার বউয়রে।
আজকে সন্ধ্যায় সে বললো, চলো খতেে যাই। আমি বললাম, বাদ দাও। সে জোর করলে আমি বললাম, কয়টা ভাই বরোদরকে ডাক।ি সে অবজ্ঞা ভরে উড়যি়ে দলিো। আহার,ে প্রমে দখেছি কবেল আমার জন্য নয়, ভাই বরোদরদরে জন্যও আর নাই।হতাশ আমাকে নযি়ে গলেো সাকবি আল হাসানরে নতুন রষ্টেুরন্টে সাকবি’স ডাইন-এ।
ঢুকলাম। রষ্টেুরন্টে অন্ধকার কনেো বুঝে উঠার আগইে পটকার শব্দে আলো জ্বললো। আমার ভাই বরোদর, যসেব বন্ধুদরে নাম্বার তশিার কাছে আছে তারা, তশিার বন্ধুরা সব হাজরি। সারপ্রাইজ কাহাকে বলে কত প্রকার ও কি কি বুঝযি়া লও ফারুকী।
শষে সারপ্রাইজ ছলিো খলো শষে করে বমিানে চপেে সাকবি আল হাসানরে চলে আসা। অদ্ভুত আনন্দরে ছলি এই সন্ধ্যা। জীবন কত সুন্দর। লাভ ইউ, তশিা ।
ধন্যবাদ সবাইক।
ফারুকীর জন্মদনিে তশিার চমক
যে কোনো সংবাদ জানতে আমাদের ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন।



Leave a Reply