নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্যান্য দিনের মতোই কোমল আলো ফুটেছিল। শুরু হয়েছিল স্বাভাবিক দিন।
রাজধানীতে কর্মব্যস্ত হয়ে উঠছিল সবাই। আচানক বদলে গেল আকাশ। ধূসর ভারী মেঘ সাতসকালেই নিয়ে এল ঘোর সন্ধ্যা। নিমেষে দিনটাই বদলে গেল। এ যেন রাত! রাজপথে পথচারীদের মধ্যে শুরু হয় নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছোটাছুটি। গাড়িগুলো হেডলাইট জ্বেলে ছুটতে থাকে। ততক্ষণে শুরু হয়ে যায় শন্শন্ বাতাসের পাগলা নাচন। পৌনে আটটার দিকে আকাশ ভেঙে নেমে আসে বৃষ্টি। নিমেষে রাজধানী পথঘাট নেয়ে একাকার। আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, ঢাকা হয়ে ফরিদপুর, মাদারীপুরের ওপর দিয়ে কালবৈশাখী বয়ে গেছে। কালবৈশাখীর প্রভাবে এসব অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়েছে। আজ ভোর চারটার দিকে তা শুরু হয়। সকাল সাড়ে সাতটা থেকে আটটার মধ্যে ঢাকায় বয়ে যায় কালবৈশাখী। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আবদুর রহমান বলেন, সকাল সাতটা থেকে নয়টা পর্যন্ত ঢাকায় প্রায় ২৭ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়, আজ ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে অস্থায়ী দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গার ক্ষেত্রেও একই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আজ সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। বৃষ্টির কারণে আজ সকালে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে প্রচণ্ড যানজট সৃষ্টি হয়। সকাল সাড়ে আটটার দিকে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে জানানো হয়, মগবাজার, মৌচাক, মহাখালী, রামপুরা, কারওয়ানবাজার এলাকায় যানজট তুলনামূলকভাবে বেশি। হঠাৎ ঝড়বৃষ্টিতে বিপাকে পড়েন রাজধানীর মানুষ। ছাতা নিয়ে বের না হওয়ায় অনেকে ভিজে যান। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীরা। সড়কে পানি জমে যাওয়ায় দুর্ভোগ আরও বাড়ে। এই সুযোগে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রিকশাওয়ালারা বাড়িয়ে দেন ভাড়া।



Leave a Reply