বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

ঢাকা মেডিকেলের যৌন নিপীড়ক আনসার সদস্য লাপাত্তা

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক তরুণীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় অভিযুক্ত আনসার সদস্য বকুলকে ধরতে পারেনি পুলিশ। নারী নির্যাতনের বিষয়টি হাসপাতালে জানাজানি হওয়ার পরই গা ঢাকা দেন ওই আনসার সদস্য। এদিকে ২০ বছর বয়সী ওই তরুণী নিজে বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে শাহবাগ থানায় বকুলকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। তিনি বর্তমানে ঢামেক হাসপাতালে রয়েছেন।

ansarশাহবাগ থানার ওসি আবু বকর বলেন, মামলার একমাত্র আসামি বকুল সরকারকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তার পিতার নাম আব্দুর রাজ্জাক সরকার। বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার তালাইহাটা গ্রামে তার বাড়ি। অভিযোগ ওঠার পর থেকে সে পলাতক রয়েছে। তবে তার গ্রামের বাড়ি ও সম্ভাব্য স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে। শিগগিরই বকুলকে গ্রেপ্তার করা যাবে বলে জানান তিনি। ওসি আরও বলেন, নির্যাতনের শিকার ওই তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়েছে। রিপোর্ট পেলে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে কি না তা জানা যাবে। ওই তরুণীর আগে বিয়ে হয়েছিল। তিনি তালাকপ্রাপ্তা নারী বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।

জানা যায়, গত ২৫ এপ্রিল ওই তরুণী তার বাবা (৫০) পেটের ব্যথা নিয়ে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি হন। তাদের বাড়ি পঞ্চগড় জেলায়। ১৬ মে তার বাবার অপারেশন করা হয়। এ সময় অপারেশন থিয়েটার (ওটি) গেটের সামনে কর্তব্যরত ছিলেন বকুল সরকার। পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে তিনবার ধর্ষণ করেন বকুল সরকার।

ঢামেক হাসপাতালের পাল্টুন কমান্ডার (পিসি) কিরণ আলী জানান, রোগীর ওই মেয়েটি বিষয়টি তাকে অবহিত করেন। এ সময় তাদের বিয়ে দেওয়া হবে বলে বকুল সরকারকে জানিয়ে দেওয়া হয়। এরপর গোপনে ঢামেক হাসপাতাল ছেড়ে চলে যায় বকুল সরকার।

আরও পড়ুন