বর্তমান সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে সম্ভবত ভারতের নরেন্দ্র মোদি-ই সবচেয়ে বেশি সেলফি তোলেন। গত এক বছরের বেশি সময়ে তিনি যেখানেই গেছেন সেখানেই সেলফি তুলেছেন। ওই দেশগুলোর রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানের সঙ্গেও সেলফি তুলে তিনি টুইটারে দিয়ে দেন। বিশ্বের নানা প্রান্তের সংবাদ মাধ্যমগুলোতে মোদির তোলা সেলফি প্রকাশও হচ্ছে হর হামেশা। এখন অনেকেরই আগ্রহ- মোদি ঢাকায় এসে কি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সেলফি তুলবেন? এই প্রশ্নটি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে চলছে জোর চর্চ্চা।
যদিও সেলফির তুলে প্রশংসার পাশাপাশি সমালোচনাও কুড়িয়েছেন মোদি। বিশেষ করে, ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের কাছ থেকে তীক্ষ্ণ বাক্যবাণের শিকার হয়েছেন তিনি।
ক্ষমতার এক বছর পূর্ণ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই এক বছরে তাঁর সফলতা-ব্যর্থতা নিয়ে নানা আলোচনা হচ্ছে। তবে এই সময়ে একটি ‘তকমা’ কুড়িয়েছেন তিনি। অনেকে তাঁকে ‘সেলফি প্রধানমন্ত্রী’ বলছেন।
সেলিব্রেটি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ—সবার মাঝে ইদানীং সেলফি বাতিক দেখা যায়। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর মোদিও সেলফির প্রেমে পড়েছেন।
গত এক বছরে বেশ কয়েকজন বিশ্ব নেতার সঙ্গে সেলফি তুলেছেন মোদি। সাধারণ মানুষ ও খ্যাতনামা ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর সেলফি আছে। এসব সেলফি সাইবার জগতে জনপ্রিয়তায় ঝড় তুলেছে।
সম্প্রতি চীন সফরে গিয়ে সবচেয়ে আলোচিত সেলফি তুলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি কেছিয়াংয়ের সঙ্গে মোদির তোলা সেলফি বিশ্বজুড়ে আলোচিত হয়েছে। ওই সেলফি পশ্চিমা গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার ও প্রশংসা কুড়িয়েছে। চীনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ওই সেলফিকে ‘ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী সেলফি’ বলে বর্ণনা করেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। কেউ কেউ এটাকে মোদির ‘সেলফি কূটনীতি’ বলে অভিহিত করছেন।
চীনে সফর শেষে মঙ্গোলিয়া গিয়ে সেখানকার প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও সেলফি তোলেন মোদি। গত বছর অস্ট্রেলিয়া সফরের সময়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবোটের সঙ্গে সেলফি তোলেন মোদি।
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই ‘সেলফি কূটনীতি’ সম্পর্কে ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, একটি ভালো সেলফির ক্ষমতা জানেন মোদি।
সেলফি নিয়ে আগ্রহীদের এখন তাই অপেক্ষা মোদি ঢাকায় কি করেন তা দেখার।
বিশেষ প্রতিনিধি
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।
১৫০৫ ঘণ্টা, জুন ৩, ২০১৫



Leave a Reply