ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফর উপলক্ষ্যে দুই দেশের গণমাধ্যমগুলোতে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় একটি বিশেষ ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে ভারতীয় নিউজ চ্যানেল এনডিটিভি ও বাংলাদেশের সংবাদভিত্তিক চ্যানেল একাত্তর। শুক্রবার সন্ধ্যায় ভারতের একটি টিভি চ্যানেলের সাথে যৌথভাবে টকশো আয়োজন করে বাংলাদেশের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল একাত্তর। এতে অন্যদের দিল্লি থেকে অংশ নেন বাংলাদেশ ভারতের সাবেক হাইকমিশনার বীণা সিক্রি, ঢাকা থেকে সাবেক রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জমির, সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল আব্দুর রশিদ প্রমুখ অংশ নেন।
আলোচকরা বলেন, ৬ জুন দুই দিনের সফরে ঢাকায় আসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে এক ঐতিহাসিক সন্দিক্ষনে পৌঁছেছে উভয় দেশ। সীমান্ত চুক্তি এরই মধ্যে দুদেশের মধ্যে সম্পর্কে সাফল্যের মাইল ফলক ছুঁয়েছে। শক্তিশালী, স্থিতিশীল এবং দ্রুত উন্নয়নশীল প্রতিবেশি হিসেবে বাংলাদেশকে গুরুত্ব দিচ্ছে ভারত। অন্যদিকে, বাংলাদেশও স্থিতিশীল ও শক্তিশালী বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশি হিসেবে ভারতকেও বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে। সম্পর্ক উন্নয়নের এই সন্দিক্ষনে উভয় দেশ দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সমস্যার দ্রুত নিস্পত্তির পথেই এগোবে বলে ধারনা করছে এদেশের মানুষ।
বাংলাদেশের মানুষ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে স্বাগত জানাতে এখন সম্পূর্ণরুপে প্রস্তুত। মোদির এই সফরে বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশাও অনেক। এরইমধ্যে ভারতের সংসদে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সীমান্ত বিল পাশ হয়েছে। যা নি:সন্দেহে একটি ইতিবাচক দিক।
বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশা ছিল মোদির এই সফরে তিস্তা নদীর পানি বন্টন চুক্তি, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস ও সীমান্ত হত্যা বন্ধের বিষয়টি বিশেষভাবে প্রাধান্য পাবে। যদিও ভারতের পক্ষ থেকে এরমধ্যে জানিয়ে দেয়া হয়েছে মোদির এই সফরে তিস্তা চুক্তি হচ্ছে না। তবে দুদেশের মধ্যেকার যোগাযোগ, নিরাপত্তা ও বাণিজ্যের মতো কৌশলগত বিষয়গুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব পাবে বলে আমরা মনে করছি। যদিও এই বিষয়গুলো এদেশের সাধারণ মানুষকে খুব একটা স্পর্শ করবে না। কারণ তারা চায় ভারতের নিকট থেকে তাৎক্ষণিকভাবে আমরা কি পেলাম। এ অবস্থায় এদেশের জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রাপ্তী কতটুকু হবে তা দেখার জন্য আমাদের আরো অপেক্ষা করতে হবে।
মিডিয়া ডেস্ক
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।



Leave a Reply