ঢাকায় এসে মন্দিরে যাবেন না; তা তো হয় না। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রবিবার সকালের কর্মসূচিই শুরু হবে মন্দিরে প্রার্থনা মাধ্যমে। প্রথমে যাবেন ঢাকার ঐতিহ্যবাদী আদি মন্দির ‘ঢাকেশ্বরী মন্দিরে’। এরপর যাবেন ঢাকার সূত্রাপুরের রামকৃষ্ণ মিশনের মঠে। ঢাকেশ্বরী মন্দিরে তিনি বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকও করবেন। দুইদিনের সরকারি সফরে প্রথমবারের মতো শনিবার ৬ জুন ঢাকা আসেন নরেন্দ্র মোদি। সফর শেষে ৭ জুন রাতেই আবার যাবেন নয়াদিল্লি।
মোদির আগমন উপলক্ষ্যে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির আর রামকৃষ্ণ মিশন মঠ নতুন করে সেঁজেছে। লেগেছে রঙ তুলির আঁঁচড়। পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যুহ তৈরি হয়েছে সেখানে। উপলক্ষ বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রবিবার এখানে আসছেন। ঢাকেশ্বরীতে থাকবেন প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা আর মঠে থাকবেন আধাঘণ্টা। মঠে গিয়ে ধ্যানেও বসবেন। গর্ভমন্দিরে দেবেন অঞ্জলি। সবার সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পর ফিরবেন সেখান থেকে।
গত ১০ মে বেলুড় মঠের সন্ন্যাসীরা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বাংলাদেশ সফরের সময়ে ঢাকা রামকৃষ্ণ মিশনে যেতে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। তখনই রাজি হয়ে যান মোদী। সেই পরিকল্পনা মতোই মতিঝিল এলাকায় রামকৃষ্ণ মিশনে যাচ্ছেন তিনি।
রবিবার সকাল সাড়ে ৮টায় প্রথম যাবেন ঢাকেশ্বরীতে। মন্দির ঘুরে দেখার পাশাপাশি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলবেন। পূজায় অঞ্জলি দেয়ার পর প্রসাদও নেবেন। এরপর সকাল সাড়ে ৯টায় যাবেন মঠে। রামকৃষ্ণ মিশনের গেটে তাকে বরণ করে নিতে উপস্থিত থাকবেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুহিতানন্দ। সঙ্গে থাকবেন ঢাকা রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী ধ্রুবেশানন্দ এবং রামকৃষ্ণ মিশনের জনসংযোগের ভারপ্রাপ্ত স্বামী শুভকরানন্দ।
ঢাকা রামকৃষ্ণ মিশনে এখন তাই সাজ সাজ রব। স্বামী বিবেকানন্দের বিশাল কাটআউট ও তার বাণীতে সাজানো তোরণ বসছে মিশনের মূল ফটকে। এখনও পর্যন্ত ঠিক রয়েছে, প্রথমে গর্ভমন্দিরে অর্ঘ্য দেবেন মোদী। তার পরে বেলুড় মঠের মতোই এখানেও কিছুক্ষণ ধ্যানে বসার কথা তার।
ধ্যান শেষে সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি দেখা করবেন ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের সঙ্গে। মোদীর মাতৃভাষা গুজরাতিতে লেখা স্বামী বিবেকানন্দের জীবনী উপহার দেয়া হবে তাকে। সঙ্গে থাকবে শ্রীরামকৃষ্ণের প্রসাদী ধুতি, উত্তরীয় এবং প্রসাদ।
নিজস্ব প্রতিনিধি
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।



Leave a Reply