ঢাকা সফর করবেন অথচ মন্দিরে যাবেন না; তা তো হয় না। তিনি নরেন্দ্র ভাই মোদি, আর এস এস তাকে এই নামেই ডাকেন। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ঢাকায় পূর্ব সূচি অনুযায়ী রবিবার সকালে ঢাকার ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির এবং রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন দর্শন করেছেন। এ সময় প্রার্থনায় অংশ নেন তিনি।
ঢাকা সফরের দ্বিতীয় ও শেষ দিনের শুরুতেই ছিল এই মন্দিরের কর্মসূচি। এর মধ্য দিয়ে সফরের দ্বিতীয় দিনের কার্যসূচি শুরু করেন তিনি। রবিবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে পৌঁছান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তাঁকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয়।
ঢাকেশ্বরী মন্দির দর্শন এবং প্রার্থনায় অংশ নেওয়ায় পর মোদির হাতে স্মারক ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। পরিয়ে দেওয়া হয় উত্তরীয়।
এরপর ৯টা ১০ মিনিটের দিকে মোদি যান রামকৃষ্ণ মিশনে। সেখানেও তাঁকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। তিনি রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন দর্শন করেন। অংশ নেন প্রার্থনায়। সেখানেও তাঁকে একাধিক স্মারক ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়। সেখানে গ্রুপ ছবি তোলেন তিনি।
রামকৃষ্ণ মিশন থেকে মোদির পরবর্তী গন্তব্য বারিধারা কূটনৈতিক জোনের দূতাবাস সড়কে ভারতীয় হাইকমিশনের নতুন চ্যান্সেরি। সেখানে তিনি চ্যান্সেরির উদ্বোধন করতে যান।
দুপুরে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন মোদি। পরে রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে বাজপেয়ির পক্ষে স্বাধীনতা সম্মাননা গ্রহণ করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এরপর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে মধ্যাহ্ন ভোজ সারবেন তিনি।
বিকেলে মোদির সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও বিরোধীদলীয় নেত্রী রওশন এরশাদ সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে জনবক্তৃতা দেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। বক্তৃতা অনুষ্ঠান শেষে সরাসরি বিমানবন্দরে গিয়ে দিল্লির পথে যাত্রা করবেন মোদি।
দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মোদি প্রথমবারের মতো গতকাল শনিবার সকালে বাংলাদেশে আসেন। সফরে বিভিন্ন বিষয়ে ২২টি চুক্তি সই হয়।
বিশেষ প্রতিনিধি
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।



Leave a Reply