ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের পর ‘নতুন প্রজন্ম, নতুন গন্তব্য-ন্যয়ি দিশা’ শীর্ষক ৬৫ দফা যৌথ ইশতেহারের প্রকাশ করেছে ঢাকা-দিল্লি। এই যৌথ ইশতেহারের বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যত রূপকল্প ঘোষনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার সকল ক্ষেত্রই উল্লেখ করা হয়েছে।
যৌথ ইশতেহারে নরেন্দ্র মোদির সফরের বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহের উল্লেখ করা হয় ১ম থেকে ৮ম দফা পর্যন্ত। এর মধ্যে ঐতিহাসিক সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের ঘোষনাপত্র ও কার্যপদ্ধতি বিনিময়ের কথা উল্লেখ করে বলা হয়, বর্তমানে ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উভয়ের সার্বভৌমত্ব, সমতা, বন্ধুত্ব, বিশ্বাস ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে নতুন এক দিগন্তে এসে দাড়িয়েছে। দুই দেশের জনগনের ভবিষ্যত নির্ভর করছে একে অপরের শান্তি, উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার উপর।
ইশতেহারের ৯ম দফায় বলা হয়, মোদি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, দারিদ্রতা দুরীকরণ, নারীর ক্ষমতায়ন ও শিক্ষা থেকে ভূয়সী উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে শক্তিশালী গনতন্ত্র ও শান্তি, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতার জন্য শেখ হাসিনার নেওয়া পদক্ষেপগুলোও প্রশংসনীয়।
১০ম দফায় বলা হয়, মোদির ডাইনামিক মনোভাবের কারনে দুই দেশের সম্পর্ক আরো উন্নতি হবে।
১১ তম দফায় দুই দেশ মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষনে একমত হওয়ার কথা তুলে ধরা হয়। বলা হয়, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে যাদের লাশ ভারতের মাটিতে কবর দেওয়া হয়েছিল, সেই দেহাবশেষ ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। ভারত এ ব্যাপারে সকল ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। সেসময় নিহত ভারতীয় সেনাদের স্মরণে স্মৃতি স্তম্ভ করার বাংলাদেশের সিদ্ধান্তকেও স্বাগত জানিয়েছে ভারত।
১২ তম দফায় সীমান্ত চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়নের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি দুই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের কথা উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, ছিটমহলগুলোর বাসিন্দাদের সকল অধিকার সীমান্ত চুক্তিতে রক্ষা করা হয়েছে। সেই অনুসারেই তারা সকল ধরনের অধিকার ভোগ করবেন।
১৩ তম দফায় ২০১১ সালে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত উন্নয়নের রুপরেখা চুক্তিকে স্মরন করা হয়।
১৪ তম দফায় দুই দেশের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সফর বিনিময়ের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আরো বাড়ানোর কথা বলা হয়।
১৫ তম দফায় চলতি ২০১৫ সালে ঢাকায় যৌথ পরামর্শক কমিশনের (জেসিসি) বৈঠক অনুষ্ঠানের কথা বলা হয়।
১৬ তম দফায় নিরাপত্তা সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা উল্লেখ করে অঙ্গীকার করা হয়, কোন দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে কোন ধরনের সন্ত্রাসবাদকে প্রশয় দেবে না। এক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত জালমুদ্রা পাচার, মানব পাচার প্রতিরোধ সমঝোতা স্মারকের কথাও উল্লেখ করা হয়।
১৭ তম দফায় সীমান্ত হত্যার সংখ্যা অবশ্যই শুন্যতে নামিয়ে আনার বিষয়ে দুই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের কথা উল্লেখ করে যৌথ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা প্ল্যান (সিবিএমপি) বাস্তবায়নের কথা বলা হয়।
১৮ তম দফায় গঙ্গা ব্যারেজ প্রকল্পে অংশ গ্রহনের জন্য ভারতকে আহবান জানায় বাংলাদেশ। ভারত নিরীক্ষা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানায়।
১৯ তম দফায় তিস্তা চুক্তি প্রসঙ্গে বলা হয়, ২০১১ সালে চুড়ান্ত করা খসড়া অনুসারে দ্রুততম সময়ে তিস্তা চুক্তি স্বাক্ষরের আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জবাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, দ্রুত তম সময়ের মধ্যে পানি বন্টনের চুক্তি স্বাক্ষরে সকল পক্ষকে নিয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মনু, মহুরী, খোয়াই, গোমতী, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বন্টনও দ্রুত শেষ করার কথা হয়।
২০ তম দফায় দুই দেশের মধ্যে বহমান নদীর গুলো পানি ব্যবস্থাপনার জন্য জয়েন্ট বেসিন ম্যানেজমেন্ট বাস্তবায়নের কথা বলা হয়।
২১ তম দফায় টিপাইমূখ প্রকল্পে ভারত বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর কোন সিদ্ধান্ত নেবে না বলে উল্লেখ করা হয়। সেই সঙ্গে হিমালয় থেকে উৎপন্ন নদীরগুলোর ক্ষেত্রে আন্ত সংযোগ প্রকল্পের মাধ্যমেও বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর কোন পদক্ষেপ না নেওয়ার বিষয়ে প্রতিশ্র“তি পূনব্যক্ত করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।
২২ তম দফায় দ্রুত তম সময়ে জেআরসির ৩৮তম বৈঠক অনুষ্ঠানের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ-ভারত।
২৩ তম দফায় সালের মধ্যে বাংলাদেশের ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদনে ভারতকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে রাখার কথা জানান নরেন্দ্র মোদি। ভারত থেকে আরো বিদ্যুত আমদানির বিষয়ে বাংলাদেশের প্রস্তাবকে ইতিবাচকভাবে নিয়ে বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলে নতুন গ্রিড তৈরি করে বিবেচনার কথা বলায় এই দফায়।
২৪, ২৫ ও ২৬ তম দফাতেও বিদ্যুত ও জ্বালানী খাতে সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ, ভূটান, নেপাল (বিবিআইএন) রুপরেখার আওতায় বিদ্যুত আমদানি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পারমানবিক বিদ্যুত খাতে সহযোগিতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
২৭ তম দফায় সচিব পর্যায়ে নিয়মিত ‘জ্বালানী সংলাপ’ আয়োজনে একমত হয় দুই দেশ।
২৮ তম দফায় ভারত থেকে বাংলাদেশে হাই স্পিড ডিজেল রপ্তানির জন্য বাংলাদেশের বিপিসি ও ভারতের এনআরএল’র মধ্যে চুক্তি অনুসারে শিলিগুড়ি থেকে পার্বতীপুর পর্যন্ত পাইপলাইন স্থাপনের কথা বলা হয়।
২৯ তম দফায় দ্বিপাক্ষিক বানিজ্য চুক্তি নবায়নকে স্বাগত জানায় দুই দেশ।
৩০ তম দফায় বানিজিক আমাদানি-রপ্তানিতে বিএসটিআই ও বিআইএস’র মধ্যে চুক্তি ভূমিকা রাখতে বলে আশা করা হয়।
৩১ তম দফায় উভয় দেশ জরুরী ভিত্তিতে স্থল শুল্ক স্টেশন, স্থল বন্দর ও চেকপোস্টে অবকাঠামো যৌথভাবে উন্নয়নের কথা বলা হয়।
৩২ তম দফায় আরো সীমান্ত হাট বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত।
৩৩ তম দফায় বাংলাদেশে ভারতের বিনিয়োগের জন্য মংলা ও ভেড়ামারায় দু’টি বিশেষ অর্থনৈতিক জোনের কথা বলা হয়।
৩৪ তম দফায় নৌ প্রটোকল বাস্তবায়নের জন্য উভয় দেশের মধ্যে নদীপথের প্রয়োজনীয় ড্রেজিং এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
৩৫ তম দফায় আন্তর্জাতিক জুট স্ট্যাডি গ্র“পের উন্নয়ন ও তুলা রপ্তানির সোর্সের কথা উল্লেখ।
৩৬ দফায় দুই দেশের জনগনের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য বহুমাত্রিক কানেকটিভিটির কথা বলা হয়েছে। সড়ক, নৌ, রেল যোগাযোগ স্থাপনে পরিবহন চুক্তি ও ব্যবস্থপনার জন্য টাস্কফোর্স করার বিষয়ে একমত হয়েছেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী।
৩৭ তম দফায় নতুন করে খুলনা-কলকাতা ও যশোর-কলকাতা বাস রুট দুই পক্ষের প্রস্তুতির পর চালু করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
৩৮ তম দফায় খুলনা-কলকাতা রুটে ২য় মৈত্রী এক্সপ্রেস চালুর বিষয়ে প্রস্তাবনা বিবেচনার কথা বলা হয়। সেই সঙ্গে নরেন্দ্র মোদি ভারতের অভ্যন্তনে সুবিধাজনক স্থানে কলকাতা-ঢাকা রেল যাত্রীদের কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনের জন্য আধুনিক আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল (আইপিটি) স্থাপনের অঙ্গীকার করেন।
৩৯ তম দফায় আগের ৮০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লাইন অব ক্রেডিটে আরো ৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বৃদ্ধি এবং ৪০ তম দফায় নতুন করে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লাইন অব ক্রেডিট দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
৪১ তম দফায় জ্বালানী, পানি, বানিজ্য, যোগাযোগ ও কানেকটিভিটির ক্ষেত্রে আঞ্চলিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে বিভিন্ন উদ্যোগে অংশগ্রহনে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত।
৪২ তম দফায় নতুন নতুন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির কথা বলেছে ঢাকা ও দিল্লী।
৪৩ তম দফায় উঠে এসেছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ও সার্ক স্যাটেলাইটের কথা।
৪৪তম দফায় দুই দেশ সমুদ্র সম্পদ ব্যবস্থায় একসঙ্গে ব্ল– ইকোনমি ও মেরিটাইম কো-অপারেশনের কথা বলেছে দুই দেশ।
৪৫ তম দফায় জলবায়ু পরিবর্তনের বৈশ্বয়িক প্রভাব মোকাবেলায় এক সঙ্গে কাজ করার কথা উল্লেখ আছে।
৪৬ তম দফায় বাংলাদেশে ৭০ হাজার উন্নত কুক স্টোভ স্থাপনের ভারতের জলবায়ু তহবিলের মাধ্যমে বরাদ্দের কথা অঙ্গীকার করেছে ভারত।
৪৭ তম দফায় বাংলাদেশের গ্রামে সৌর বিদ্যুত প্রকল্প বাস্তবায়নের ঘোষনা দিয়েছেন মোদি।
৪৮ তম দফায় দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
৪৯ তম দফায় রাজশাহী, সিলেট, খুলনা ও নরসিংদীতে ক্ষুদ্র প্রকল্পে অনুদানের জন্য ভারতকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ।
৫০ তম দফায় বাংলাদেশের কর্মকর্তা ও কারিগরি পেশায় নিয়োজিতদের ভারতে প্রশিক্ষন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছে ভারত।
৫১ তম দফায় দুই দেশের সাংস্কৃতিক কর্মসূচি বিনিময়ের কথা উল্লেখ আছে।
৫২ তম দফায় ভারতে বাংলাদেশ টেলিভিশনের অনুষ্ঠান প্রচারে ভারতের দুরদর্শনের সঙ্গে চুক্তির কথা বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে ভারতের প্রসার ভারতীর ডিটিএইচ প্লাটফর্মে বাংলাদেশ টেলিভিশনকে অন্তভূক্ত করা হবে।
৫৩ তম দফায় ভারতের গোহাটিতে বাংলাদেশে ডেপুটি হাইকমিশন স্থাপন এবং একই সঙ্গে আগরতলায় অবস্থিত বাংলাদেশ ভিসার অফিসের উন্নয়ন করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের খুলনা ও সিলেটে ভারতের সহকারি হাই কমিশন খোলার উদ্যোগ নেয়ার কথাও বলা হয়।
৫৪তম দফায় ভারত মানবিক সাহায্যের জন্য বাংলাদেশের সীমানা ব্যবহার করে ২৫ হাজার মেট্রিক টন খাদ্য শস্যের ট্রান্সশিপমেন্টের জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানায়। একইভাবে নেপালে ভূমিকম্পের জন্য সাহায্য পাঠাতে সহযোগিতার জন্য ভারতকে ধন্যবাদ জানায় বাংলাদেশ।
৫৫ তম দফায় ইয়েমেন থেকে বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনতে ভারতের প্রত্যক্ষ সহযোগিতার প্রশসংসা করা হয়।
৫৬ তম দফায় বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের জন্য ভারতের এনটিক্স কর্পোরেশনের তত্বাবধানে বাংলাদেশে ২৪টি স্বয়ংক্রিয় আবহাওয়া সংক্রান্ত স্টেশন ব্যবস্থা নির্মানকে স্বাগত জানানো হয়। এটি সার্ক স্ট্রম পোগ্রামের আওতায় নির্মিত হবে।
৫৭তম দফায় বিমসটেক ইলেকট্রিসিটি গ্রীড তৈরি এবং বিমসটেক-এর মুক্ত বণিজ্য চুক্তি শীঘ্রই চূড়ান্তকরনের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। এছাড়া কলকাতা-কুনমিং হাইওয়ে প্রকল্পের জন্য বিসিআইএম-ইসি স্টাডি গ্র“প প্রতিবেদন শীঘ্রই চূড়ান্ত হবে বলে আশা করা হয়।
৫৮তম দফায় ভারত-বাংলাদেশ উভয় দেশই জাতিসংঘ ও বিশ্ব বানিজ্য সংস্থার মত সংগঠনে নিবিড়ভাবে কাজ করা কথা বলা হয়। বিশেষ করে শান্তিরক্ষায় ইউএন-এর কার্যক্রম নিজেদের অংশগ্রহনে সন্তুষ্ট তারা এজন্য এ কাজে ধারাবাহিকতা রক্ষার ব্যাপারে সম্মত।
৫৯তম দফায় উভয় দেশই উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিকভাবে অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহনের জন্য বহুপাক্ষিক বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্ব দেয় । বিশেষ করে নিউ ডেভলপমেন্ট ব্যাংক ও দ্য এশিয়ান ইনফ্রাস্টাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক এর সম্ভবনার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
৬০, ৬১, ৬২ এবং ৬৩তম দফায় ভারত ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে এ সফরে যে সকল চুক্তি, সমঝোতা স্বারক, উন্নয়ন প্রকল্প ও উপহার স্বারক হস্তান্তর করা হয়েছে সে বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
৬৪ তম দফায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এ সফরে তার ও তার সফরসঙ্গীদের প্রতি বাংলাদেশ সরকার যে আন্তরিক আথিথেয়তা দেখিয়েছে তার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান।
৬৫তম দফায় নরেন্দ্র মোদি শেখ হাসিনাকে ভারতে সফরের জন্য নিমন্ত্রণ জানান এবং শেখ হাসিনা মোদির নিমন্ত্রণ গ্রহণ করেন।
বিশেষ প্রতিনিধি
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।



Leave a Reply