তুরস্কে পার্লামেন্ট নির্বাচনে দেশটির ক্ষমতাসীন ইসলামপন্থী মৌলবাদী দল জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (একেপি) সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। ১৩ বছরের মধ্যে প্রথম এ ঘটনা ঘটল। এই ফলকে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, বিরোধী বামপন্থী দল এইচডিপি আশার চেয়ে বেশি ভোট পেয়েছে। পূর্ণাঙ্গ ফল প্রকাশ হতে আরো কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে।
রবিবার দেশটির পার্লামেন্ট নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়। ইতিমধ্যে প্রায় ৯৯ শতাংশ ভোট গোনা হয়েছে। এতে একেপি ৪১ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এরদোয়ানের দল এ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে জয় লাভ করলে সংবিধানে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছিল।
তার দল এখন বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নির্বাচনে জিতলে তুরস্ককে প্রেসিডেন্টশিয়াল রিপাবলিকে রূপান্তরিত করা হতে পারে বলে আগে থেকেই ঘোষণা দেওয়া হচ্ছিল। এমনিতেই এরদোয়ান কর্তৃত্বাবাদী শাসন চালাচ্ছিলেন।
তুরস্কের অর্থনীতির সার্বিক পরিস্থিতি সন্তোষজনক নয়। এরদোয়ানের শাসনের কর্তৃত্ববাদী প্রবণতা নিয়েও জনমনে উদ্বেগ আছে। তাই আগে থেকে ধারণা করা হচ্ছিল যে, এরদোয়ানের দল ২০১১ সালের নির্বাচনের তুলনায় এবার কম ভোট পাবে।
প্রধানমন্ত্রী পদে ১১ বছর দায়িত্ব পালনের পর ২০১৪ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এরদোয়ান। এবারের নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয় নিয়ে একেপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা আশা করছিলেন এরদোয়ান। তিনি একটি নতুন সংবিধান প্রণয়নের মাধ্যমে তুরস্কের সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পাল্টে প্রেসিডেন্টের একচ্ছত্র শাসন চালু করার পরিকল্পনা করছিলেন।
ওয়েব ডেস্ক
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।



Leave a Reply