সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য অষ্টম বেতন কাঠামোর সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না অর্থমন্ত্রণালয়। কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী তারা সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বাদ দেওয়ার পক্ষে থাকলেও কর্মকর্তা কর্মচারীদের দাবি ও অসন্তোষের কারণে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। এ কারণেই বিষয়টি মন্ত্রিসভার ওপর চাপিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভার আগামী দু’একটি বৈঠকে বিষয়টি তোলার প্রস্তুতিও চলছে। সেখানে অনুমোদনের পর এটি রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ঘুরে পরবর্তীতে গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে।
সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বাদ দেয়ার খবরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। এগুলো বহাল রাখার দাবি জানিয়ে সচিবালয়ভিত্তিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন সংগঠন প্রধানমন্ত্রীর কাছেও স্মারকলিপি দিয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবাবেরর বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা খাতে ১৬ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ দিয়ে ৪৫ হাজার কোটি টাকার সংস্থান রেখেছেন। নতুন কাঠামোর বর্ধিত মূল বেতন আগামী ১ জুলাই থেকে পাওয়া যাবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
মূল বেতন পেলেও বাড়ি ভাড়াসহ অন্যান্য ভাতা ২০১৬ সালের জুলাই থেকে দেয়া হবে। মূল বেতনের পাশাপাশি সব ধরনের ভাতাও আয়করের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী, যা ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। ভাতার ওপর কর বসানোয় নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে যে উচ্ছ্বাস ছিল, তাতে ভাটা পড়েছে।
সুত্র আরো জানায়, ২০০৯ সালের বেতন কাঠামোর তুলনায় নতুন কাঠামোতে বেতনের পরিমাণ দ্বিগুণ হলেও চূড়ান্ত বিচারে এখন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যা পাচ্ছেন, এর চেয়ে গড়ে ৬০ শতাংশ বাড়বে। কারণ, ২০১৩ সাল থেকে দেয়া ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা সমন্বয় করা হবে। একই সঙ্গে কমে যাবে ইনক্রিমেন্টও।
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।



Leave a Reply