বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

রানি এলিজাবেথের ১৮টি আশ্চর্য ক্ষমতা

ইংল্যান্ডের “হার ম্যাজেস্টি” কুইন এলিজ়াবেথের ১৮টি বিশেষ ক্ষমতা আছে । এমন সব ক্ষমতা তাঁর আছে, যা পৃথিবীর অন্য কোনও ব্যক্তির কাছে নেই । সেই ক্ষমতাগুলিই হয়তো এলিজ়াবেথকে “রানি” বলে আরও স্পেশাল করে তোলে ।

১) রানি এলিজ়াবেথের গাড়ি চালানোর জন্যে ড্রাইভিং লাইসেন্স লাগে না ।

২) রানির কোনও পাসপোর্টের প্রয়োজন হয় না । কিন্তু রাজ পরিবারের বাকি সদস্যদের প্রত্যেকের পাসপোর্ট আছে । পাসপোর্ট ছাড়া যাতায়াত করার ক্ষমতা আছে একমাত্র ইংল্যান্ডের রানির ।

৩) রানি এলিজ়াবেথের দুটি জন্মদিন । একটি তাঁর জন্মের তারিখ – ২১ এপ্রিল । অন্যটি অফিশিয়াল – সেটি পালিত হয় জুন মাসের যে কোনও একটি শনিবারে । এ বছর তাঁর অফিশিয়াল জন্মদিনের তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ১৩ জুন । রানির দুটি জন্মদিন দু-রকমভাবে পালিত হয় । প্রত্যেক বছর ২১ এপ্রিল মধ্য ইংল্যান্ডের হাইড পার্কে ৪১টি গান স্যালুট দেওয়া হয় রানিকে । রানির অফিশিয়াল জন্মদিনে পরিবারের সকলে মিলে প্যারেড করে রানিকে অভ্যর্থনা জানান । এ বছর ১৩ জুনকে রানির অফিশিয়াল জন্মদিন হিসেবে ধরে নিয়েছে রাজ পরিবার । আর মাত্র ৫ দিনের অপেক্ষা । বাকিংহাম প্যালেসে উঠবে সাজ সাজ রব ।

৪) রানি এলিজ়াবেথের একজন প্রাইভেট পোয়েট আছেন । তিনি রানিকে নিয়ে কবিতা লেখেন ।

৫) রানির নিজস্ব ATM মেশিন আছে । রানি ছাড়া রাজ পরিবারের বাকিরাও সেটি ব্যবহার করতে পারেন । অবশ্যই রানির অনুমতি থাকা চাই ।

৬) টেমস্ নদীর প্রত্যেকটি হাঁস রানির পোষ্য ।

৭) ব্রিটেনের জলাশয়ে যতগুলি ডলফিন আছে, সবকটি রানির ।

৮) রানির অনুমতি ও স্বাক্ষর ছাড়া ব্রিটেনের কোনও আইন পাশ করা হয় না ।

৯) নাইটস্ ও লর্ডসদের নির্বাচন করার ক্ষমতা একমাত্র রানির ।

১০) রানিকে কর দিতে হয় না ।

১১) ইংল্যান্ডের সরকার গঠন করার ক্ষমতা একমাত্র রানিরই আছে ।

১২) রানি ও তাঁর পরিবার নিজেদের কোনও কথাই বাইরে বলতে বাধ্য নন ।

১৩) সাংবিধানিক সঙ্কটের সময়, মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে VETO জারি করার ক্ষমতা আছে রানির ।

১৪) রানি এলিজ়াবেথ অস্ট্রেলিয়ারও রানি ।

১৫) ব্রিটেন ও অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি রানি এলিজ়াবেথ কমনওয়েলথ্ দেশগুলিরও রানি – যেমন অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বারবুডা, বাহামাস, বারবাডোস, বেলাইস, ক্যানাডা, গ্রেনাডা, জামাইকা, নিউ জ়িল্যান্ড, পাপুয়া নিউ গিনি, সেইন্ট কিটস্ অ্যান্ড নেভিস, সেইন্ট লুসিয়া, সেইন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রেনাডিনস্, সলোমন আইল্যান্ডস্ ও তুভালু ।

১৬) চার্চ অফ ইংল্যান্ডের প্রধান হলেন রানি এলিজ়াবেথ । তাঁকে বলা হয় “ডিফেন্ডার অফ দা ফেথ অ্যান্ড সুপ্রিম গভর্নর অফ দা চার্চ অফ ইংল্যান্ড ।”

১৭) অস্ট্রেলিয়ার গোটা সরকারকে এক লহমায় বরখাস্ত করার ক্ষমতা রাখেন রানি ।

১৮) পৃথিবীর কোনও আদালত ইংল্যান্ডের রানির বিচার করার ক্ষমতা রাখে না ।

ডেস্ক রিপোর্ট

নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম

আরও পড়ুন