সোশ্যাল মিডিয়ায় অপব্যবহার বন্ধ করায় কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার পর এবার হোয়াটস অ্যাপে মধুচক্রের ব্যবসার নয়া ফর্মুলা! এই অ্যাপের মাধ্যমেই দেহব্যবসা চলছে রমরমিয়ে। এর সাহায্যে মধ্যস্থতাকারীরা সরাসরি গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করে যৌনকর্মীদের দরদাম ঠিক করে ফেলছে৷ এরপর গ্রাহকের পছন্দের জায়গায় কর্মীদের পাঠিয়ে মোটা টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে গ্রাহকদের থেকে৷সম্প্রতি এমনই তথ্য উঠে এসেছে গুরগাও পুলিশের হাতে।
পুলিশের সূত্র অনুযায়ী এলাকায় বড়সড় সেক্স র্যাকেটের খোঁজ পেয়েছে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, দালালরা হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমেই গ্রাহক খোঁজ৷যৌনকর্মীদের দরদামের সঙ্গে স্থান ও সময় ঠিক করার পর একটি কোডের মাধ্যমে মেয়েদের পাঠানো হয়৷ এই র্যাকেটটি প্রতি গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১০ হাজার টাকা করে নিত৷ বিপদের ভয়ে মেয়েদের সঙ্গে সবসময় দুজন করে সঙ্গী থাকত যারা গাড়িতে বসে নজর রাখত৷ হোয়াটস অ্যাপে বিভিন্ন গ্রুপ তৈরি করে গ্রাহকদের আকর্ষণ করে এই র্যাকেটটি। এখানেই শেষ নয় কোন গ্রাহক জবাব দিলে কোডের মাধ্যমে ব্যবসা পাকা করে দিন ঠিক করা হত৷
পুলিশ সূত্রে খবর, প্রশাসনের নজর থেকে বাঁচতে বেশ কিছু কোডওয়ার্ডের মাধ্যমে এই বেআইনি র্যাকেট চালানো হচ্ছে৷ বর্তমানে এই বিষয়ে পুলিশের কাছে তেমন কোন তথ্যই নেই৷ তবে পুলিশ জানিয়েছে, এই কোডআয়ার্ডের মধ্যে অন ডিমান্ড সার্ভিস, বডি মাসাজ সেন্টার, বডি মাসাজ সেন্টার অ্যাট হোম ইত্যাদি নামের বেশ কিছু গ্রুপ হোয়াটস অ্যাপে রয়েছে৷ সেখানে গিয়ে খুব সহজেই মেয়েদের ডিল করা যেতে পারে৷ এই গ্রুপের মাধ্যমে ভারতীয় ছাড়াও বিদেশী মেয়েদেরও দাম ও ফটো পাঠানো হয়৷ইতিমধ্যে বড়সড় এই র্যাকেটকে ধরতে ইতিমধ্যে কাজে নেমেছে সাইবার থানার পুলিশ।
ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম



Leave a Reply