স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরের রামপুরা এলাকায় শুক্রবারের ওই ঘটনায় শনিবার চারজনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। রামপুরা থানা পুলিশ শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কমকে জানান, মামলায় অভিযুক্ত আসামিরা হলেন, সুজন, মইন, আরিফ ও ফরহাদ। তাঁরা সবাই মাদকাসক্ত বলে তিনি দাবি করেন। তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূ ও তাঁর স্বামী শুক্রবার ১২ জুন সকাল নয়টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আসেন। তাঁরা পশ্চিম রামপুরার পলাশবাগে এক আত্মীয়ের বাসায় ওঠেন। ওই আত্মীয় গৃহবধূর স্বামীর খালা হন।
ওই আত্মীয় বললেন, তিনি বাসাবাড়িতে কাজ করেন। শুক্রবার ১২ জুন সকাল দশটার দিকে তিনি ভাগনে ও ভাগনের স্ত্রীকে বাসায় রেখে কাজে যান। প্রায় আধা ঘণ্টা পর বাসার পাশের একজনের কাছ থেকে ফোনে খবর পেয়ে তিনি তড়িঘড়ি বাসায় গিয়ে দেখেন, স্থানীয় কয়েকজন বখাটে তাঁর ভাগ্নে ও ভাগ্নের স্ত্রীকে মারধর করছেন। তিনি বাধা দিতে গেলে ওই বখাটেরা তাঁকে বাথরুমে আটকে রাখে। এ সময় বখাটেদের কয়েকজন তাঁর ভাগ্নেকে পাশের একটি পরিত্যক্ত ভবনের দুই তলায় নিয়ে মারধর করতে থাকে। আর কয়েকজন বখাটে তাঁর কক্ষের দরজা বন্ধ করে ভাগ্নের স্ত্রীকে ধর্ষণ করে। যাওয়ার সময় তাঁরা নগদ টাকা ও কিছু স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে এবং গৃহবধূর বক্তব্য নেয়। গৃহবধূকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


