চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ভারত ব্যবহার করলে তাতে অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশই লাভবান হবে। মাশুল ছাড়া ভারতকে ট্রানজিট দিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরোধিতার প্রেক্ষাপটে তিনি সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের একথা বলেন বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ।
বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত ও নেপালের মধ্যে সড়ক পথে যাত্রীবাহী, ব্যক্তিগত ও পণ্যবাহী যান চলাচলের চুক্তি অনুযায়ী ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশনর (ডব্লিউটিও) নিয়মমতো টোল নেওয়া হবে বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।
ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে সোমবারই চার দেশের মন্ত্রীরা যান চলাচলের এই চুক্তিতে সই করেন। এই প্রসঙ্গে তোফায়েল বলেন, “ভারতের সঙ্গে যেসব চুক্তি হয়েছে তাতে বাংলাদেশই বেশি লাভবান হয়েছে। চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ভারত ব্যবহার করতে পারলে আমরাই অর্থনৈতিকভাবে বেশি লাভবান হব।”
উন্নয়নের জন্য কানেক্টিভিটির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি খালেদা জিয়ার বিরোধিতা অসার বলেও উড়িয়ে দেন। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে খালেদা জিয়ার দেখা করার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, “খালেদা জিয়া এখন পরাজিত সৈনিক, তিনি রাজনীতি থেকে হেরে গেছেন। ভারতের কাছে আত্মসমর্পণ করে ‘ভারতবিরোধিতা করব না’ বলে অঙ্গীকার করেই তিনি (খালেদা জিয়া) মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।”
প্রণব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ বাতিল নিয়ে খালেদা জিয়া ‘মিথ্যাচার’ করছেন বলেও দাবি করেন তোফায়েল।
দুই বছর আগে ঢাকায় ভারতের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠক বাতিলের বিষয়ে খালেদা জিয়া নয়াদিল্লিভিত্তিক একটি সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তখন তার প্রাণনাশ করে তার দায় জামায়াতে ইসলামীর উপর চাপানোর একটি ষড়যন্ত্র হয়েছিল। তাই তিনি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে যাননি।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


