মশা মারতে কামান দাগার কথা শুনেছি। কিন্তু মশা ধরতে ড্রোনের ব্যবহারের কথা এই প্রথম শুনলাম। বিশ্ব বিখ্যাত মাইক্রোসফ্ট কোম্পানী এবার মশা মারতে ড্রোন উড়ানোর সিধান্ত নিয়েছে। রোগের জীবাণু এবং ভাইরাসের বাহক মশা ধরতে তারা ড্রোন ওড়াবে। সেই মশা পরীক্ষা করে মিলবে রোগের আগাম খবর৷ আটকানো যাবে মহামারী৷
‘প্রোজেক্ট প্রিমোনিশন’ নামে এক উচ্চাকাঙ্খী প্রকল্প হাতে নিয়েছে মাইক্রোসফ্ট৷ এই পদ্ধতিতে মশা বাহিত ডেঙ্গু বা অ্যাভিয়েশন ফ্লু আটকানো যাবে, দাবি গবেষকদের৷ প্রকল্পের দায়িত্বে রয়েছেন ইথান জ্যাকসন৷
নতুন ধরনের মশা ধরার জন্য কম ওজনের ব্যাটারিচালিত ফাঁদ তৈরি করা হয়েছে৷ উজ্জ্বল আলোয় মশারা বেশি করে আকৃষ্ট হয়ে যন্ত্রের কাছে আসবে৷ তখন বিশেষ ধরনের সেন্সর রোগের বাহক মশাগুলোকে আলাদা করবে৷ পরীক্ষাগারে পরীক্ষার জন্য সেই মশাগুলোকে সংরক্ষিত করে রাখার ব্যবস্হাও থাকছে৷ নতুন এই ব্যবস্হা চলতি ফাঁদগুলোর থেকে অনেক সস্তা হবে৷
ফাঁদগুলি নিয়ে ড্রোন উড়ে যাবে প্রত্যন্ত এলাকায়৷ নিজে থেকেই বেছে নেবে রোগবাহী মশাকে৷ ড্রোন চালানোর জন্য মার্কিন বিমান নিয়ামক সংস্হার সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে মাইক্রোসফ্ট৷ চালু নিয়ম হল, মহামারী হলেই নির্বিশেষে মশা মেরে ফেলা৷
এই নিয়মের মধ্যে বাস্তব কোনও ভিত্তি নেই, জানাচ্ছেন পিটার্সবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক জেমস পিপাস৷ তাঁর মতে, নমুনা পরীক্ষার পর দরকার হলে মশা মারা যায়৷ সব মশা মারার প্রয়োজন পড়ে না৷ রোগের আগাম খবর পেতে ড্রোন বিশেষ সহায়ক হবে, আশা পিপাসের৷
ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম



Leave a Reply