বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

মহিলা পুলিশকে ধর্ষণের হোতা পুলিশ সমুদ্র সৈকতে আটক

Women-Policeমহিলা পুলিশ কর্মীকে বন্ধুবান্ধব নিয়ে গণধর্ষণের মূল হোতা পুলিশ কর্তা কলিমুর রহমানকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কলাতলী থেকে আটক করা হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের খিলগাঁও থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) কলিমুর রহমান গত ১১ জুন থেকে পলাতক ছিলেন। তিনি তার প্রাক্তন স্ত্রী মেট্রোপলিটন পুলিশের তুরাগ থানার মহিলা কনস্টেবলকে অজ্ঞান করে কয়েকজন বন্ধুসহ ধর্ষণ করেন বলে থানায় মামলা হয়েছে। কলিমুর অবশ্য মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিএমপি থেকে স্পেশাল প্রটেকশন ব্যাটেলিয়ন এসপিবিএনে যোগ দেওয়ার জন্য ১১ জুন ছাড়পত্র নেন। সেদিন থেকেই পলাত থাকা কলিমুরকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা সমুদ্র সৈকত থেকে আটক করে।

কক্সবাজার সদর থানার ওসি কাজী মতিউল ইসলাম জানান, বুধবার সকালে জেলার কলাতলী এলাকা থেকে ঢাকার খিলগাঁও থানার ওই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। সকাল ১০টার দিকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একদল সদস্য তাকে কলাতলী থেকে আটক করে নিয়ে যায়।

খিলগাঁও তিলপাপাড়ার একটি বাসায় গত ১১ জুন রাতে ওই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে সেই নারী কনস্টেবলের অভিযোগ।

তার বড় বোন গত ১৩ জুন ঢাকার খিঁলগাও থানায় এএসআই কলিমুরসহ অজ্ঞাতপরিচয় পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এতে বলা হয়, কয়েকজন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে কলিমুর তার সাবেক স্ত্রীকে ধর্ষণ করেন।

মামলা হওয়ার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) সেই নারী কনস্টেবলের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। সেখানে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে ওসিসির সমন্বয়ক ডা. বিলকিস বেগম ইতোমধ্যে জানিয়েছেন।

সেই কনস্টেবলের বড় বোন জানান, চার বছর আগে তার বোনের সঙ্গে সেই এএসআইয়ের বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের তিন বছর পর ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে এবং ‘আজেবাজে’ কথা বলে তার বোনকে পুলিশের চাকরি ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন তার স্বামী। এসব নিয়ে এক বছর আগে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।

ওই ঘটনা নিয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে ওই নারী কনস্টেবল আদালতে মামলা করেছিলেন বলেও জানান তার বোন।

স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর গাজীপুরে মায়ের সঙ্গে থাকছিলেন ওই নারী কনস্টেবল। গত ১১ জুন রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসার পর সাবেক স্বামী তাকে ধরে তিলপাপাড়ার ওই বাসায় নিয়ে যায় বলে তার পরিবারের অভিযোগ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কবিরুল ইসলাম জানান, এএসআই কলিবুর এপিবিএন-এ যোগ দেওয়ার জন্য খিঁলগাও থানা থেকে ১১ জুন ছাড়পত্র নেন। এর পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।

মহিলা পুলিশকে ধর্ষণের আরও সংবাদ:

০ মহিলা পুলিশ কর্মীকে চারজনে মিলে গণধর্ষণ ঢাকায়

০ মহিলা পুলিশকে ধর্ষণের আলামত, গণধর্ষণ কি না পরীক্ষা চলছে

০ অজ্ঞান করে গণধর্ষণ মহিলা পুলিশকে

০ গণধর্ষণের শিকার মহিলা পুলিশের সঙ্গেও পুলিশের সেই পুরনো খেলা

আরও পড়ুন