বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

ছাত্রী ধর্ষণের দায়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক আটক

Rape-aaaপ্রশ্নপত্র পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রথমে ধর্ষণ এবং পরে বিয়ের আশ্বাসে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে নিয়মিত ধর্ষণের অভিযোগে ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরে শিক্ষক সৈয়দ মাহফুজ আল হাসানকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে যশোর কোতোয়ালী থানা পুলিশ তাকে আটক করে।

ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী পুষ্টি ও খাদ্যপ্রযুক্তি বিভাগের মাস্টার্স প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। তিনি যশোর শহরের পালবাড়ি এলাকার একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন। একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক প্রফেসর সৈয়দ মাহফুজ আল হাসান থাকেন শহরের পুরাতন কসবা ঘোষপাড়া জামে মসজিদের পেছনে। তিনি দিনাজপুর সদর উপজেলার বিরল গ্রামের সৈয়দ মহাসিন আল মুলকের ছেলে।

মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বাপ্পাকুমার, তানিমা ও রাজু হায়দারকে সাক্ষী হিসেবে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. আব্দুস সাত্তার জানান, ওই ছাত্রীর দেয়া অভিযোগ পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রফেসর ড. ইকবাল কবির জাহিদ, প্রফেসর ড. সেলিনা বেগম ও প্রফেসর ড. মীর মোশারফ হোসেনের সমন্বয়ে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি বিষয়টি নিয়ে তদন্তও শুরু করেছে। কমিটিতে আস্থা না পেলে সে মামলা করতেই পারে।

অভিযোগ বলা হয়, একই বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী হওয়ায় তাদের মধ্যে পরিচয় হয়। এ সুবাদে শিক্ষক হাসান প্রায়ই তার বাসায় যেতেন। ২০১৩ সালের ২৭ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় হাসান ওই শিক্ষার্থীর বাড়িতে গিয়ে প্রশ্নপত্র দেয়াসহ নানা প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। পরে তাকে বিয়ে করবেন বলে নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক অব্যাহত রাখেন।

চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি শিক্ষক হাসানকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু বিষয়টি তিনি নানা কৌশলে এড়িয়ে যান। ১৫ জুন ফের ওই বাড়িতে গেলে তাকে আবার বিয়ের কথা বললে শিক্ষক হাসান বিয়ে করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন। এ নিয়ে কোনো রকম কথা বললে তাকে হত্যার হুমকিও দেয়া হয়।

যশোর কোতোয়ালী থানার ওসি আক্কাস আলী বলেন, শিক্ষক সৈয়দ মাহফুজ আল হাসানের বিরুদ্ধে একই বিভাগের এক ছাত্রী ধর্ষণ মামলা করেছেন। শুক্রবার রাতে মামলাটি রেকর্ড করা হয়ছে।

সংবাদদাতা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।

আরও পড়ুন