বাচ্চা ছেলেরা যে ফ্যালনা নয়, আরও একবার প্রমাণ হয়ে গেল । বয়স কত আর হবে, ওই বাও কি তেও ! তাতেই বড়দের মতো কাজ করে ফেলেছে মুয়াজ়, দানিয়াল, চিরাগ । তিনজনেই লন্ডনের আইজ়্যাক নিউটন অ্যাকাডেমির ছাত্র । দুধেভাতে হলেও কামাল দেখিয়েছে এই বয়সে !
তৈরি করেছে এক বিশেষ ধরনের কনডম । ডটেড, ফ্লেভার্ড, এক্সট্রা প্লেজ়ারওয়ালা নয় । একটু বিশেষ ধরনের আরকী । এই কনডম পরে যৌনক্রিয়ায় লিপ্ত ব্যক্তি জানতে পারবেন, সঙ্গীর কোনও যৌন সংক্রমিত রোগ আছে কি না । থাকলে সঙ্গে সঙ্গে পালটে যাবে কনডমের কালার । লাই ডিটেকটরে যেভাবে মিথ্যে বললে ধরে ফেলা যায়, ঠিক সেই ভাবে কনডমও ধরিয়ে দেবে রোগ ।
লন্ডনের মতো ফ্রি সেক্স সমাজে বড় হওয়া মুয়াজ় নাওয়াজ়, দানিয়াল আলি, চিরাগ শাহের অনেকদিন আগে বোঝা হয়ে গেছে “কনডম আসলে কী ? কী কাজে লাগে ?” যৌন সংক্রমিত রোগের ব্যাপারেও যথেষ্ট হোমওয়ার্ক করেছে তারা । কীভাবে HIV, সিফিলিস ছড়ায়, কীভাবে মৃত্যু ঘটে, কী কী চিকিৎসা আছে – সবই ছোটো থেকে কণ্ঠস্থ করে ফেলেছে নেট ঘেটে আর বই পড়ে । ফলে রোগ নিরাময়ের টেকনিক বের করতে লেগে পড়ে তিন বন্ধু ।
আবিষ্কার করে এক নতুন ধরনের কনডম । জানা যায়, ১৪ বছরের দানিয়ালের মাথাতেই নাকি প্রথম আইডিয়া আসে । অসুরক্ষিত যৌনক্রিয়া থেকে যেভাবে রোগ ছড়ায়, তা আকটাতে নেমে পড়ে সে । আলোচনা করে মুয়াজ় ও চিরাগের সঙ্গে । বন্ধুকে সাহায্য করতে প্রজেক্টে তারাও শামিল হয় । মানুষের মধ্যে যৌন সচেতনতা গড়ে তোলার এহেন উদ্যোগ প্রশংসা পেয়েছে লন্ডনের টিনটেক অ্যাওয়ার্ডে ।
বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, যৌন সংক্রমিত রোগ আটকাতে এই কনডম বেশ বড়সড় ভূমিকা নেবে ভবিষ্যতে ।
ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


