ইভটিজিংয়ের দায়ে স্কুল থেকে বহিষ্কার হওয়া তিন ছাত্র সহ চারজন স্কুলের হেড মাস্টারকে কুপিয়ে আহত করেছে। রবিবার ২৮ জুন দুপুরে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের ইয়াকুবুল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের এই ঘটনা ঘটে। হামলার পর ওই চার ছাত্র পালিয়ে যায়। আহত শিক্ষকের বাড়ি নেত্রকোনা জেলার নিচিন্তপুর গ্রামে। তিনি নিচিন্তপুর গ্রামের মরহুম আব্দুস সোবাহানের ছেলে।
হামলাকারী চারছাত্র হলো, সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের বেড়াজালি গ্রামের নুরুজ আলীর (১৬), একই গ্রামের আলতা মিয়ার ছেলে মুনতাছির বিলাল (১৫), মোহাম্মদ লিয়াকত আলীর ছেলে নাহিদ (১৭) ও ফজর আলীর ছেলে মোঃ সুমন (১৬)।
হামলার শিকার প্রধান শিক্ষককের স্ত্রী পেয়ারা বেগম জানান, ওই চারজনই ইয়াকুবুল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিল। ইভটিজিংয়ের দায়ে নুরুজ আলীকে বিদ্যালয় থেকে বহিস্কার করা হলে অন্য তিনজন ছাত্র গত বছর বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি পরীক্ষা দেয়। নুরুজ আলীকে বহিস্কারের পর থেকেই বিভিন্ন সময় মারধর করার হুমকি দিয়ে আসছিল।
স্থানীয়রা জানান, নুরুজ আলীর নেতৃত্বে দুপুরে তারা প্রধান শিক্ষককের অফিস কক্ষে যায়। গিয়েই দাড়ালো রামদা, ডেগার, রড় দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। জানা গেছে, অফিস রুমের পাশে কয়েকজন শিক্ষক উপস্থিত থাকলেও প্রধান শিক্ষকের চিৎকারে কেউ এগিয়ে আসেনি।
ওই শিক্ষককের স্ত্রী ঘটনার খবর পেয়ে এসে আশপাশের লোকজনের সহায়তায় তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য দুপুর দেড়টার দিকে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গাজী শাখাওয়াত হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
সংবাদদাতা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


