সরকারবিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে মামলা ছাড়াও জ্যেষ্ঠ নেতাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির বেশ কিছু মামলা দেওয়া হয়েছে। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ৭৬ মামলা হলেও মামলার রেকর্ড রয়েছে অবশ্য স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মীর শরাফত আলী সপুর। তিনি ১০৫টি মামলা মোকাবেলা করছেন।
জুন মাসের মাঝামাঝিতে বিএনপির আইনজীবীদের তথ্য অনুযায়ী, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ১৩, তারেক রহমান ৭৬, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ৭৮, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের বিরুদ্ধে ১০, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হান্নান শাহ ৮, রফিকুল ইসলাম মিয়া ৫, এমকে আনোয়ার ৫, মির্জা আব্বাস ৭৩, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ১১ টি মামলা রয়েছে।
এছাড়া বিএনপির সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান ৫, শমসের মবিন চৌধুরীর ৪, সেলিমা রহমান ১০, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুল আউয়াল মিন্টু ৫, মোসাদ্দেক আলী ফালু ৪, যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান ৮৭, বরকতউল্লা বুলু ৫০, সালাহউদ্দিন আহমেদ ২৭, রুহুল কবীর রিজভী ৪৪টি মামলা রয়েছে।
এর বাইরে বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী ৪০, যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ১১০, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নীরব ১৭৮, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল ১০০, সাধারণ সম্পাদক মীর শরাফত আলী সপু ১০৫, ঢাকা মহানগর যুগ্ম আহ্বায়ক এমএ কাইয়ুম ৩৮, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল ১০১টি ও ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশীদ হাবিবের বিরুদ্ধে ৯৮টি মামলা বিচারাধীন।
এসব মামলায় বিচার প্রক্রিয়া যতই এগোবে ততই বিএনপি বেকাদায় পড়তে থাকবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


