মাঠে তিনি জাদু ছড়ান৷ সেই জাদু মুগ্ধ করে যায় ফুটবল-রসিকদের প্রতি মুহূর্তে৷ কিন্তু, তা বলে তাঁর জাদু এমনই যে, অপরহরণকারীরা সম্মোহিত হয়ে যান! না, এমন তথ্য আগে জানা ছিল না৷ কিন্তু লিওনেল মেসিকে ঘিরে এমন অদ্ভুত তথ্যই সামনে নিয়ে এলেন আর্জেন্টিনার এক কৃষিতত্ত্ববিদ!
নাইজেরিয়ায় দুটি ফার্ম রয়েছে সান্তিয়াগো মেনেন্ডেজের৷ সেই চেনা জায়গাতেই তিনি অপহূত হন৷ ওই ভয়ঙ্কর পরিস্হিতিতে কী করবেন, কী করবেন ভেবে অস্হির হয়ে পড়েছিলেন মেনেন্ডেজ৷ আদৌ কি মুক্তি পাওয়া সম্ভব? ফিরতে পারবেন পরিজনের কাছে? প্রশ্নগুলো তাড়া করছিল৷
কিন্তু, কোনও আলোর সন্ধানই যেন পাচ্ছিলেন না তিনি৷ সেই অস্হির সময়েই হঠাৎ করে মনে পড়ে যায় নাম৷ লিও মেসির৷ আধুনিক ফুটবলের মুখ যিনি, তাঁর নামটা মনে পড়তেই, মাথায় বুদ্ধি খেলে যায় মেনেন্ডেজের৷ অপহরণকারীদের সামনে তারস্বরে চিৎকার করতে থাকেন৷ জপতে থাকেন এক নামক্ট ‘মেসি’৷ বেশ কয়েক বার ‘মেসি, মেসি, মেসি’ বলে চিৎকার করার পর, হঠাৎ করেই অপহরণকারীদের মনোভাব বদলে যায়৷
একটু আগে পর্যন্ত যারা কোনও কথা শুনতে রাজি ছিল না, তারাই নরম মনোভাব দেখায়৷ খুন করে দেব বলে হুমকি দেখাচ্ছিল যারা, তারাই যেন সহানুভূতিশীল হয়ে পরে কিছুটা৷ মেনেন্ডেজ বোঝেন, তার দাওয়াই কাজে লেগেছে৷ শেষ পর্যন্ত কিছু টাকা নিয়ে অপহরণ করার দু’দিন বাদে মেনেন্ডেজকে ছেড়ে দেয় অপহরণকারীরা৷
মুক্তি পাওয়ার পর, এই অদ্ভুত ঘটনার কথা মেনেন্ডেজ তাঁর ভাইকে জানিয়েছেন৷ সেই সঙ্গে কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছেন মেসিকে৷ আরে বাবা, এ যাত্রায় তাঁর জন্যই যে মুক্তি পেলেন!
এদিকে কোপায় মেসির গোল না পাওয়া নিয়ে নিন্দুকরা খোঁচা দিতেই, বন্ধুর হয়ে মুখ খুললেন আগুয়েরো৷ বলেছেন, ‘মেসি সব সময়ই নিজেকে ছাপিয়ে যেতে চায়৷ তবে, ও গোল না পেলে, নিজেই খুঁত খুঁত করে৷ ওকে বলেছি, ধৈর্য রাখো৷ গোল পাবেই৷ মেসিকে প্রচণ্ড চাপ নিতে হয়৷ ও ঝুঁকি নেয়৷ এগিয়ে যায় ক্রমাগত৷ জানি, ও এগোলেই, আমরাও এগোব৷’


