বঙ্গোপসাগরে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর এফ-৭ যুদ্ধবিমানের পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট রুম্মন তাহমিদ চৌধুরীর এখনো খোঁজ পাওয়া যায়নি । মঙ্গলবার সকালে কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (গোয়েন্দা) লেফটেন্যান্ট কমান্ডার দুরুল হুদা বলেন, সোমবার সারা রাত সাগরে তল্লাশি চালানোর পরও নতুন কোনো ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ বৈমানিকেরও কোনো সন্ধান মেলেনি।
সাগর উত্তাল থাকায় তল্লাশিতে সমস্যা হলেও নৌ বাহিনীর জাহাজ অতন্দ্র, মধুমতী ও সুরভী, কোস্টগার্ডের জাহাজ তৌফিক ও তিনটি মেটাল শার্ক বোট এবং বিমান বাহিনীর তিনটি হেলিকপ্টার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।
সোমবার সকালে জহুরুল হক ঘাঁটি থেকে উড্ডয়নের পর বেলা ১১টা ১০ মিনিটে তাহমিদের প্রশিক্ষণ বিমানের সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ কক্ষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
এরপর আধা ঘণ্টা পর বিমানবাহিনী কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হয়, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত থেকে ছয় নটিকেল মাইল দূরে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে।
এরপর বিকালে সৈকত থেকে পাঁচ মাইল পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের ব্রাভো অ্যাঙ্করেজে বিধ্বস্ত যুদ্ধ বিমানের দুটি অংশ খুঁজে পান উদ্ধারকর্মীরা।
কোস্টগার্ড কর্মকর্তা দুরুল হুদা জানান, নৌবাহিনীর জাহাজ সুরভীতে থাকা ‘সাইড স্ক্যান সোনার’ ব্যবহার করে তারা বিমানটির বাকি ধ্বংসাবশেষ খোঁজার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে কী কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও কোনো তথ্য দেয়নি বিমান বাহিনী।
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


