বাংলাদেশে এসে ভারতের সিরিজ হারের বিষয়টি খেলার অংশ হলেও বাংলাদেশের একটি পত্রিকায় বিষয়টি নিয়ে যা করা হয়েছে তা ‘খেলোয়াড়সুলভ মনোভাব দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে এবং তা ভারতের মতো প্রতিবেশি দেশের প্রতি ন্যূণতম সম্মান দেখাতে পারেনি’ বলে মন্তব্য করেছে ভারতের গণমাধ্যমগুলো। গত ২৯ জুন প্রথমআলোর সাময়িকীতে সচিত্র ব্যঙ্গ কার্টুন প্রকাশ হয়। যা নিয়ে পরবর্তীতে ভারতের বাংলাভাষীদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়, ধীরে ধীরে গত কয়েকদিনে তা অন্যভাষীদের মধ্যেও প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
আনন্দবাজারের এবিপি আনন্দ মঙ্গলবার ৩০ জুন তাদের এক প্রতিবেদনে বলেছে, সম্প্রতি শেষ হওয়া ভারত-বাংলাদেশ একদিনের সিরিজে বাংলাদেশ ভারতকে তিনটি ম্যাচের মধ্যে দুটিতে হারিয়ে সিরিজ জিতে নেয়। বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক জয় ভারতের জন্য নিঃসন্দেহে লজ্জাজনক। কিন্তু তার চেয়েও লজ্জাজনক কাজ করেছে বাংলাদেশের এক শীর্ষ স্থানীয় সংবাদপত্র প্রথম আলো। বাংলাদেশ যথেষ্ট ভাল খেলে জিতেছে এবিষয় কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু খেলাতে হার জিত থাকবেই। বাংলাদেশের এই সংবাদপত্র তাঁদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের প্রতি সেই সৌজন্যমূলক ব্যবহার, সম্মান দেখাতে পারেনি।
এবিপি আনন্দ আরো বলেছে, ‘প্রথম আলো তাদের ২৯ জুনের সাপ্তাহিক ক্রোড়পত্র রসআলোতে একটি বিজ্ঞাপন ছেপেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে টিম ইন্ডিয়ার সমস্ত প্লেয়ার রাহানে, রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, রবীন্দ্র জাদেজা, ধোনি, শিখর ধবন, রবীচন্দ্র অশ্বিনকে অর্ধেক নেড়া অবস্থায়। তার ওপরে লেখা, একটি দোকানের নাম এবং ব্যঙ্গচিত্রে ভারতীয় প্লেয়াররা বলছে আমরা মুস্তাফিজ কাটার ব্যবহার করে এমন চেহারা পেয়েছি, আপনারাও ব্যবহার করুন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশি বোলার মুস্তাফিজুর রহমানের বিখ্যাত বিষাক্ত বোলিং অ্যাকশন ‘অফকাটার’-এর কথাই উল্লেখ করা হয়েছে, যা ভারতীয়দের বাংলাদেশে সিরিজ হারের অন্যতম কারণ। এমনকি দোকানের ঠিকানায় লেখা রয়েছে মুস্তাফিজ কাটার পাওয়া যায় স্টেডিয়াম মার্কেট, মীরপুর, ঢাকায়।’
সংবাদপত্রটি তাদের এই বিজ্ঞাপন নিজেদের ফেসবুক পেজেও পোস্ট করেছে।
এবিপি আনন্দের এই নিউজ আসলে ভারতে প্রতিক্রিয়া তৈরি হওয়ার পরেই করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, কলকাতা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


