বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সফল প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনই ফিরলেন সেই অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে।
১৯৭৭ সালে পল্লী পূর্ত কর্মসূচি নামে যাত্রা করে এখনকার এলজিইডি। অত্যন্ত মেধাবী এই প্রকৌশলীর হাত ধরে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রার করে শুরুতেই সাড়া ফেলে দিয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটির মেরুদন্ড তৈরির অনেক পরে লিয়েন নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন (আইএলও)র চাকরি নিয়ে চলে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেও তিনি মেধা ও দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছিলেন।
পল্লী পূর্ত কর্মসূচির প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন লিয়েন থেকে আর ফেরেননি। তিন বছর পর তিনি চাকুরি থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। ১৯৮২ সালের আগস্ট মাসে এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় এলজিইবি (ব্যুরো)।
পরে ব্যুরো থেকে ডিপার্টমেন্ট করা হয়। এলজিইডির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী ও সাবেক সচিব প্রয়াত কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী এলজিইডিকে নিয়ে যান অন্য উচ্চতায়। তখন তাঁকে সহযোগিতা করেন গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থেকে নির্বাচিত বর্তমান সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন চৌধুরী।
মোশাররফ হোসেন এলজিইডির প্রতিষ্ঠাতা হলেও এতোদিন তার অবদান স্বীকার করেনি কেউ। দীর্ঘদিন পরে ২০১০ সালে এলজিইডি তার পাপ মোচনের উদ্যোগ নেয়। ওই বছর এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তার নাম যুক্ত করা হয় নামফলকে। সে নিয়েও তখন কোন কোন মহল থেকে বিতর্ক তোলার চেষ্টা হয়েছিল। কুষ্টিয়া লবির লোকজনের তরফ থেকে তখন বলা হচ্ছিলো কামরুল ইসলাম সিদ্দিকীই এলজিইডির প্রতিষ্ঠাতা।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


