দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১৬২ রানে অলআউট করে বাংলাদেশের জয়ের ভিতটা তৈরি করে দিয়েছিলেন মুস্তাফিজ, রুবেল, নাসিররা। আর দুরন্ত ব্যাটিং ঝড়ে জয়ের বাকি কাজটুকু সারলেন সৌম্য-মাহমুদউল্লাহরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দ্বিতীয়বারের মতো ওয়ানডেতে জয় পেল বাংলাদেশ। আর এই দাপুটে জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরলো মাশরাফিবাহিনী।
রোববার টস জিতে আগে ব্যাট করে ৪৬ ওভারে মাত্র ১৬২ রানে অলআউট হয় প্রোটিয়ারা। জবাবে সৌম্য-মাহমুদউল্লাহর ফিফটিতে ৭ উইকেট ও ১৩৪ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।
জয়ের জন্য দরকার ১৬৩ রান। এত অল্প টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই হোচট খায় বাংলাদেশ। সাজঘরে ফেরেন বাংলাদেশের হার্ড হিটার ওপেনার তামিম ইকবাল। পাঁচ রান করে তিনি সেই রাবাদার শিবির। হয়েছেন বোল্ড। এরপর আবারো রাবাদা চমক। ৩.৪ ওভারে প্রোটিয়া এই তরুণ বোলার বোল্ড করেছেন লিটন দাশকে। আউট হওয়ার আগে লিটন করে গেছেন ১৪ বলে ১৭ রান। এর মধ্যে ছিল দুটি চার ও একটি ছক্কার মার।
তৃতীয় উইকেট জুটিতে বাংলাদেশের জয়ের ভিত রচনা করেন সৌম্য সরকার ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। এই জুটি থেকে আসে গুরুত্বপূর্ণ ১৩৫ রান। ফিফটি করে রিয়াদ আউট হলেও ছক্কা হাকিয়ে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন সৌম্য। ৭৯ বলে ৮৮ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ৬৪ বলে ৫০ করেন রিয়াদ। আর শেষ মুহুর্তে মাঠে নেমে শুন্য রানে অপরাজিত থাকেন সাকিব আল হাসান।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে রাবাদা দুটি ও অ্যাবোট একটি উইকেট নেন।
২০০৭ ক্যারিবীয়ন ক্রিকেট বিশ্বকাপের সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৬৭ রানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে মোহাম্মদ আশরাফুল করেছিল সর্বোচ্চ ৮৭ রান। ঐ ম্যাচে খেলা চার ক্রিকেটার আজ খেলেছেন মিরপুরে। তারা হলেন তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহীম, মাশরাফি বিন মর্তুজা ও সাকিব আল হাসান। তবে সবাইকে ছাপিয়ে নায়ক সৌম্য সরকার। আশরাফুল করেছিলেন ৮৭, সৌম্য অপরাজিত ৮৮।
আগামী ১৫ জুলাই চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত ওয়ানডে ম্যাচ।
ক্রীড়া প্রতিবেদক, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


