মঙ্গলবার ৩ নভেম্বর ২০২৬

পিটুনিতে মৃত রাজনের শরীরে ৬৪ আঘাতের চিহ্ন

Killing_Sylhetসিলেটে নির্যাতন করে হত্যা করা শিশু শেখ মো. সামিউল আলম ওরফে রাজনের (১৩) শরীরে ৬৪টি আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে ময়নাতদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আর একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার ১৩ জুলাই সিলেট মহানগর হাকিম আদালতে ময়নাতদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, শিশু সামিউলের বুকে, মাথায়, দুই হাতে, পায়ে, হাঁটুতে ও গোড়ালিতে ফোলা জখম ছিল। মৃত্যুর কারণ হিসেবে উপর্যুপরি নির্যাতন ও মস্তিষ্কে রক্তরক্ষণের কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মহানগরের জালালাবাদ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আলমগীর হোসেন ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেন।

এদিকে পুলিশ হত্যা মামলার আসামি মুহিত আলমের নিকট আত্মীয় ইসমাইল হোসেন ওরফে আবলুসকে সদরের রামাকাজী এলাকা থেকে আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আটক করে। তাঁর বাড়ি জালালাবাদের মীরের চর এলাকায়।

এর আগে সিলেট মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক ফারহানা ইয়াসমিন আসামি মুহিত আলমের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মুহিতকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আদালতে আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন।
চুরির অভিযোগে গত বুধবার সিলেটের কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডে সবজিবিক্রেতা সামিউলকে একটি দোকানঘরের খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন করা হয়। নির্যাতনের একপর্যায়ে মারা যায় সামিউল। পরে তার লাশ গুম করার চেষ্টা করা হয়। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নগরের কুমারগাঁওয়ের শেখপাড়ার বাসিন্দা মুহিতকে আটক করে পুলিশে দেয় এলাকাবাসী।

এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করে। জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন বলেন, মামলায় মুহিতসহ তাঁর ভাই কামরুল ইসলাম (২৪), তাঁদের সহযোগী আলী হায়দার ওরফে আলী (৩৪) ও চৌকিদার ময়না মিয়া ওরফে বড় ময়নাকে (৪৫) আসামি করা হয়েছে।

সংবাদদাতা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *