মঙ্গলবার ৩ নভেম্বর ২০২৬

মেয়েদের ১০ বন্ধু থাকলে সমস্যা কি: সিঁথি

Sithi_photo-1436174085পরকীয়া সম্পর্কের জেরে কারাবাস শেষে এখন বাজিতপুরের নিজ বাড়িতেই এক প্রকার বন্দি দিন কাটছে সিঁথির। সাংবাদিক মুকুলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, তার স্ত্রীর করা মামলায় জেলখাটার পর এখন জামিনে মুক্ত। সিঁথি জেল থেকে ছাড়া পেয়ে সোজা চলে আসেন বাজিতপুরের নিজ বাড়িতে।

বাজিতপুর উপজেলার ভাগলপুরের বাড়িতে গেলে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। বলেন, একটি ছেলের যদি ১০ জন বন্ধু থাকতে পারে তাহলে মেয়েদের ক্ষেত্রে থাকলে দোষ কি? কেন মেয়েদের ১০ বন্ধু থাকতে পারবে না? মুকুলও আমার ভাল বন্ধু।

সিঁথি বলেন, আমি কি কোন সেলিব্রিটি? আমাকে নিয়ে পত্রিকায় এভাবে লিখতে হবে? আমি কী ড্রেস পরলাম, কী করলাম তাতে অন্যদের কি? আমি প্যান্ট-শার্ট কিংবা গেঞ্জি পরলাম, সেটা কি ওয়েস্টার্ন ড্রেস হয়ে গেল? সেটা যদি হয়, নাজনীন আক্তার তন্বীও তো একমাস আগে দিল্লিতে গিয়ে ওই রকম ড্রেস পরে পোজ দিয়েছে। তার তো কোন দোষ হয়নি। আমার কেন হবে? কেন আমার অনুমতি ছাড়া আমার ছবি ছাপানো হলো?

মুকুলের প্রসঙ্গ আনতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন মেহরুন বিনতে সিঁথি। বলেন, মুকুলের সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব ছিল এটা কি আমার অপরাধ? এ সময় সিঁথির মা রুবিনা আলম বলেন, আমার বড় মেয়ে মিলির ১৮ লাখ টাকা মেরে দিয়েছে এক ব্যক্তি। সে টাকা উদ্ধারে আরেক বন্ধুর মাধ্যমে মুকুলের দ্বারস্থ হয় সিঁথি। এভাবে মুকুল সিঁথির ভাল বন্ধু হয়ে যায়। সিঁথি বলেন, পত্রিকায় বেপরোয়া জীবন উল্লেখ করার বিষয়ে মুকুল জেল থেকে বের হয়ে এলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মেহেরুন বিনতে সিঁথির পিতা ছিলেন একজন ব্যাংকার। ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত আফতাব উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজে লেখাপড়া করেন সিঁথি। ২০০০ সালে এসএসসি পাস করেন বেগম রহিমা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে। বাজিতপুর ডিগ্রি কলেজ থেকে ২০০২ সালে এইচএসসি পাস করেন। পরে ঢাকা লালমাটিয়া মহিলা কলেজ থেকে অনার্স সহ মাস্টার্স করেন। এরই মধ্যে তার বিয়ে হয় ২০০৯ সালে একজন ব্যাংকারের সঙ্গে। ৫ বছর ধরে সন্তান না হওয়ায় স্বামীর সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ হতো।

সিঁথি জানান, গত ২রা জুলাই বৃহস্পতিবার তন্বীর মামলায় আত্মসমর্পণ করলে তার স্বামীকে আদালতে ডেকে আনা হয়। তার জিম্মায় জামিনের নথিতে স্বাক্ষর দিতে বললে প্রথমে অনীহা প্রকাশ করলেও পরে স্বাক্ষর করেন। কিন্তু ৬ই জুলাই জামিন হলে সে তার জিম্মায় নিতে অস্বীকার করে। পরে তার মা’র জিম্মায় জামিন নিয়ে বের হয়ে আসেন।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *