বাংলাদশে শেখ হাসিনার সরকারে নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে বঙ্গভবনে পৌঁছেছেন আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল ইসলাম বিএসসি। নতুন মন্ত্রীদের মধ্যে তিনিই সবার আগে বঙ্গভবনে পৌঁছান। মঙ্গলবার ১৪ জুলাই বিকাল ৪টার দিকে তিনি বঙ্গভবনে ঢুকেছেন। সন্ধ্যায়ই নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা শপথ নিতে যাচ্ছেন বলে বঙ্গভবনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের দৈনন্দিন কর্মসূচিতে সন্ধ্যা ৬টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের শপথের সূচি রয়েছে।
চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম বিএসসি জানিয়েছিলেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব তাকে টেলিফোন করে তৈরি থাকতে বলেছেন।
সানোয়ারা গ্রুপের চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম বিএসসি বেশ কিছু কাল ধরে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
আওয়ামী লীগের টিকিটে চট্টগ্রাম নগরীর একটি আসনে ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হলেও দশম সংসদ নির্বাচনে ওই আসনটি জাতীয় পার্টির জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুকে ছেড়ে দিতে হয় তাকে।
নবম সংসদে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য নুরুল ইসলাম বিএসসি এনসিসি ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক।
বিএসসির পাশাপাশি সংসদ সদস্য অভিনেত্রী তারানা হালিমও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে টেলিফোন পাওয়ার কথা জানান।
এছাড়া লালমনিরহাটের সংসদ সদস্য নুরুজ্জামান আহমেদের নামও গণমাধ্যমে আলোচনায় রয়েছে; যদিও ঠিক কতজন নতুন করে শপথ নিচ্ছেন, সে বিষয়ে সরকারের তরফে কিছু জানানো হয়নি।
নতুনদের পাশাপাশি বর্তমান প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ও ইয়াফেস ওসমান মন্ত্রী হতে চলছেন বলে গণমাধ্যমের খবর।
বর্তমান মন্ত্রিসভায় ২৯ জন মন্ত্রী, মন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর একজন বিশেষ দূত ও পাঁচজন উপদেষ্টা, ১৮ জন প্রতিমন্ত্রী এবং দুইজন উপমন্ত্রী রয়েছেন। গত বছর সরকার গঠনের পর শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভায় এটাই কার্যত প্রথম রদবদল।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে জিতে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসার পর ১২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেয়। ওই বছর ২৬ ফেব্রুয়ারি এ এইচ মাহমুদ আলীকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং নজরুল ইসলামকে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর গত দেড় বছরে আর কোনো রদবদল আনেননি শেখ হাসিনা।
হজ নিয়ে বিতর্কিত এক মন্তব্যের কারণে আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী গত বছরের ১২ অক্টোবর ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে বাদ পড়েন। ওই পদ এখনও শূন্য।
গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করা হয়। স্থানীয় সরকারের দায়িত্ব দেওয়া হয় মন্ত্রিসভারই আরেক সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে। তিনি বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়েরও অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


