১৩ বছরের শিশু শেখ সামিউল আলম রাজনের বাবা-মাকে এক লাখ টাকার অনুদান দিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বুধবার ১৫ জুলাই দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে তিনি নিহত রাজনের বাড়ি সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের বাদেআলী গ্রামে যান। পরে তিনি অনুদানের এ চেক হস্তান্তর করেন।
প্রতিমন্ত্রী এ সময় রাজনের পরিবারকে সান্ত্বনা দেন। রাজনের ছোট ভাইয়ের লেখাপড়ার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতি মাসে দুই হাজার টাকা করে দেওয়ারও ঘোষণা দেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের বাদেআলী গ্রামের মাইক্রোবাসচালক শেখ আজিজুর রহমানের ছেলে রাজন স্থানীয় অনন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করে স্কুল ছাড়তে বাধ্য হয়। পরিবারকে সাহায্য করতে সে ভ্যানে করে সবজি বিক্রি করত। বুধবার ভোরে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের টুকেরবাজার এলাকায় ভিডিও ধারণ করে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করা হয় শিশু রাজনকে। পরে তার লাশ গুম করার চেষ্টা করে ঘাতকরা। সকাল ১১টার দিকে একটি মাইক্রোবাস থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
ওই ঘটনায় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের জালালাবাদ থানায় প্রথমে পুলিশ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে রাজনের বাবা শেখ আজিজুর রহমান মামলার বাদী হন। মাইক্রোবাসে করে রাজনের লাশ ফেলার সময় হাতেনাতে আটক মুহিতকে মামলার প্রধান আসামি করা হয়। এ ছাড়া তার ভাই কামরুল ইসলাম (২৪), তাদের সহযোগী আলী হায়দার ওরফে আলী (৩৪) ও চৌকিদার ময়না মিয়া ওরফে বড় ময়নাকে (৪৫) আসামি করা হয়।
নিজস্ব প্রতিনিধি, সিলেট
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


