‘ঈদ’ আমাদের কাছে বহুল প্রতীক্ষিত, কাক্সিক্ষত, আনন্দের একটি শব্দ। আরবি দশম মাস শাওয়ালের প্রথম দিনটি বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ঈদ-উল ফিতর হিসেবে পালন করে। বিশ্বের সব দেশেই ঈদ পালিত হয় উৎসব আমেজে। মুসলিম দেশগুলোতে এ উপলক্ষে থাকে সরকারি ছুটি। নানা দেশে রয়েছে রোজার এই ঈদের নানা নাম।
মালয়েশিয়ায় বলা হয় ‘সেলামাত হারি রায়া’, তুর্কিরা বলে ‘বায়রামিনাইজ কুত্লু ওলসান’, বসনিয়ানরা বলে ‘ইউরো রায়া পুয়োসা,’ আলবেনিয়ানরা ‘ফিতর বাজরেমি’ আজারবাইজানরা ‘রামাজন বাইরমি’, উজবেক ‘হেইতিঙ্গাইজ মুবারক’ জার্মানরা ‘রামাদান ফেস্ট’, ডাচরা বলে থাকে ‘স্যুকারফেস্ট’।
এছাড়া চীনে ‘কাই জাই যেয়াইয়েকিজ’, ফ্রান্সে ‘কোরিটে’ জাপানে ‘রিয়াদ পিত্রাহ্’, থাইল্যান্ডে ‘ওয়ান এক্সাডি’, রাশিয়ায় ‘উরজা বেয়রম’, স্পেনে ‘ফিয়েস্তা দো লা রাচ্চরা দেল আয়ন’, ইরানে ‘উয়েদ-এ ফের্ত’ আফগানিস্তানে ‘কোচনাই আখতার’ ও ইন্দোনেশিয়ায় ‘হারি রায়া আইদিলফিতরি’ স্থানীয় নামে এই ঈদ উৎসবকে ডাকা হয়।
তবে যে নামেই ডাকা হয়, বাচ্চা থেকে বৃদ্ধ সবাই এ উৎসব পালন করে প্রিয়জনদের নিয়ে আড়ম্বরতা আর অফুরান আনন্দের।



Leave a Reply