বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

বেসিক ব্যাংকের এমডিকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

Basic-Bank-thereport24সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার ঋণ অনিয়মের ঘটনা অনুসন্ধানে তথ্য সংগ্রহের জন্য বেসিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) খন্দকার মো. ইকবালকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর দুটা পর্যন্ত তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টচার্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের উপপরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি দল তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। ২০১১ সালে কমিশন চার সদস্যের একটি দল গঠন করে এ বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। চার সদস্যের অনুসন্ধান টিমের অপর সদস্যরা হলন উপসহকারী পরিচালক মুহা. মাহাবুব আলম, এ কে এম ফজলে হোসেন ও মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন।

দুদক সূত্রে জানা যায়, ব্যাংকের শান্তিনগর শাখা থেকে ২০১২ সালের প্রথম ১০ মাসে প্রায় ৯০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়। এসব ঋণের বিপরীতে বন্ধকীও রাখা হয়নি। নিয়ম ভেঙে ঋণ দেওয়ায় কয়েকজন বড় গ্রহীতা এরই মধ্যে স্পেশাল মেনশন অ্যাকাউন্টে (এসএমএ) নাম লিখিয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, খেলাপি ঋণের তথ্য গোপন করা এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে একক ঋণ গ্রহীতার সর্বোচ্চ সীমাও লংঘন করা হয়। একইভাবে গুলশান শাখা থেকে ১৬টি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানকে প্রায় এক হাজার ৩৬০ কোটি টাকা ঋণ দান, নয়টি প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে অনুমোদনহীন ঋণ সীমা এবং ছয়টি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এলসি খুলে বিদেশে অর্থ পাচার করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ভুয়া বন্ধক দেখিয়ে এ শাখা থেকে আরও ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। এনবি

ব্যাংকটির দিলকুশা শাখায় গোলাম ফারুক নামের এক কর্মকর্তা ব্যবস্থাপক থাকাকালে ১৪০০ কোটি টাকার ঋণ অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে বেলায়েত নেভিগেশনের নামে ৭০ কোটি, আদিব ডায়িং ৫৫ কোটি, ওয়েলটেক্স ৪২ কোটি, ওয়েল সোয়েটার্স ২৫ কোটি, সৈয়দ কনস্ট্রাকশন ৭০ কোটি, বে-নেভিগেশন ৫৫ কোটি, আলোটেক ২৮ কোটি, অ্যাপোলো কনস্ট্রাকশন ৬৫ কোটি ও ইমারেল্ড কোম্পানির নামে ৫৫ কোটি টাকার ঋণে বড় ধরনের অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন