রংপুর বিভাগে জঙ্গিবাদ এবং নাশকতা রোধে জিরো ট্রলারেন্স নীতি গ্রহণ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বেআইনি অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক দ্রব্য বিক্রি প্রতিরোধসহ আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থ হলে দায়ী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রংপুর রেঞ্জ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হুমায়ুন কবীর।
২৬ জুলাই রোববার রংপুরে ডিআইজি কার্যালয়ে আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালনকারী পুলিশ সদস্যদের মাঝে পুরস্কার ও পদক বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। অনুষ্ঠানে রংপুর বিভাগের ৮ জেলার পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে তিনি রংপুর জেলার পুলিশ সুপার আব্দুর রাজ্জাককে রংপুর রেঞ্জের শ্রেষ্ট পুলিশ সুপার, রংপুর কোতয়ালী থানার ওসি কাদের জিলানীকে পঞ্চম বারের মত আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রণে অসামান্য অবদানের জন্য পদক প্রদানসহ রংপুর বিভাগের ১০ পুলিশ সদস্যের মাঝে পদক বিতরণ করেন।
পদক প্রাপ্ত অন্যান্য পুলিশ সদস্যগন হলেন- শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার হিসেবে লালমনিরহাট জেলার সহকারী পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম, শ্রেষ্ঠ ডিএসবি অফিসার হিসেবে পঞ্চগড় জেলার পুলিশ পরিদর্শক মাসুদ রানা, শ্রেষ্ঠ কোর্ট অফিসার হিসেবে লালমনিরহাট সদর কোর্টের পুলিশ পরিদর্শক এবিএম রেজাউল করিম, শ্রেষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে পদক পেয়েছেন ঠাকুরগাঁও সদর থানার এসআই গোলাম মর্তুজা, শ্রেষ্ঠ উদ্ধারকারী কর্মকর্তা হিসেবে লালমনিরহাট সদর থানার এসআই আব্দুল কুদ্দুস, চৌকস কর্মকর্তা হিসেবে এস আই ঠাকুরগাঁও সদর থানার এস আই নুরল ইসলাম, শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক অফিসার হিসেবে লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রামের পুলিশ সার্জেন্ট মঞ্জুর হোসেন, চৌকস এএসআই হিসেবে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ি থানার আব্দুর রউফ এবং শ্রেষ্ঠ পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে পদক পেয়েছেন লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা থানার ময়েজ উদ্দিন খন্দকার।


