দীর্ঘ ৬৮ বছরের দুঃখ-দুর্দশার অবসানের আনুষ্ঠানিকতা পালনে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ১১১টি ছিটমহলে চলছে উৎসবের আমেজ।
৩১ জুলাই রাত ১২টা ১ মিনিটে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় হচ্ছে আনুষ্ঠানিকভাবে। এ উপলক্ষে ছিটমহলগুলোতে ওইদিন সকাল থেকে খেলাধুলাসহ রাত পর্যন্ত নানা কর্মসূচি পালন করবেন তারা। রাতে ছিটমহলের প্রতিটি বাড়িতে ৬৮টি করে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হবে। এর মাধ্যমে তাদের ৬৮ বছরের যন্ত্রণার অবসান ঘটবে।
পঞ্চগড় জেলার ৩৬টি ছিটমহলেই উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। তবে মূল অনুষ্ঠান হবে জেলার সদর উপজেলার গাড়াতি ছিটমহলে। একই রকম কর্মসূচি পালিত হবে লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও নীলফামারী জেলার ছিটমহলগুলোতেও।
বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির পঞ্চগড় ও নীলফামারি জেলা শাখার সভাপতি ও গাড়াতি ছিটমহলের চেয়ারম্যান মো. মফিজার রহমান বলেন, ‘দিনের বেলা মেলা বসবে। ছিটমহলের প্রতিটি বাড়িতে ৬৮টি মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হবে। বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে স্থানীয় শিক্ষাথীদের ক্রীড়া ডিসপ্লে, রাতে চলবে বাউল গানের অনুষ্ঠান। আর রাত ১২টা ১ মিনিটে মশাল প্রজ্জ্বলন করা হবে।’
বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির পঞ্চগড় ও নীলফামারি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শালবাড়ি ছিটমহলের চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, শালবাড়ি ছিটমহলে আলোকসজ্জ্বার আয়োজন করা হয়েছে।
জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার কোটভাজনি ছিটমহলের চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন জানান, ৩১ তারিখ রাত ১২টার পর এখানে উন্মুক্ত ভোজের (পিকনিকের) আয়োজন করা হবে।
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।



Leave a Reply