বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

বাজারে ব্রয়লারের দাম কমেছে ৩০ টাকা

broiler-chicken-file-photoব্রয়লার মুরগির মাংসের দাম কমেছে কেজিতে ৩০ টাকা। অন্যদিকে পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ৩০-৩২ টাকা। সবজির দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। সরবরাহ বাড়ায় ব্রয়লারের দাম কমেছে। তবে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কারণ বলতে পারেননি কোনো বিক্রেতা। শুক্রবার ঢাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

নিউমার্কেট, কারওয়ান বাজার, হাতিরপুল, মিরপুর, যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির মাংস ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৬০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে দাম কমেছে ৩০ টাকা। ব্রয়লার মুরগির দাম কমার প্রভাব পড়েছে পাকিস্তানি ও দেশী মুরগির দামেও। গতকাল ৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনের পাকিস্তানি মুরগি বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকা করে। অন্যদিকে একই ওজনের দেশী মুরগি বিক্রি হয়েছে প্রতিটি ২৫০ টাকায়। বাজারভেদে প্রতিটিতে ৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। মুরগির দাম কমলেও প্রতি কেজি গরুর মাংস ৩৮০-৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা কেজি দরে। গত সপ্তাহে খাসির মাংসের দাম ছিল ৫০০-৫৫০ টাকার মধ্যে।

মুরগির মাংসের দাম কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে কারওয়ান বাজারের আদর্শ চিকেন হাউজের বিক্রয়কর্মী জানান, খামারগুলোয় মুরগি বড় হয়েছে। সব খামারেই মুরগি রয়েছে বলে কম দামে সরবরাহ করছেন খামারিরা। এতে খুচরা পর্যায়েও দাম কমেছে।

এদিকে গত সপ্তাহের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজের দাম। আর এবারই প্রথম দেশী পেঁয়াজের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে আমদানি করা বড় আকারের ঝাঁজবিহীন পেঁয়াজ। গতকাল প্রতি কেজি ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৭০ টাকা, আর দেশী পেঁয়াজ ৬০ টাকা। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ভারতীয় পেঁয়াজ ৩৮-৪০ ও দেশী পেঁয়াজ ছিল ৪৮-৫০ টাকা। দেশী রসুন ৬০ আর আমদানি করা ভারতীয় রসুন ১০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। আদার দাম ১১০-১২০ টাকা। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি আদার দাম ছিল ১৪০-১৬০ টাকা। পাইকারি আড়তদার মো. মাসুদ বলেন, আমদানিকারকরা দাম বাড়িয়েছেন বলেই আড়তে দাম বেড়েছে।

এদিকে সব ধরনের সবজির দামও বাড়তির দিকে। গতকাল প্রতি কেজি ঢেঁড়স ৮০ টাকা, টমেটো ৮০, গাজর ৭০, পটোল ৪০-৫০, কচুর লতি ৪০, কাঁকরোল ৫০, মুলা ৫০, করলা ৫০, চিচিঙ্গা ৬০, বেগুন ৫০-৬০ ও আলু ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে সবগুলো সবজির দাম আরো কম ছিল।

মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি চাষের কৈ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, তেলাপিয়া বড় ২৬০ আর মাঝারি ২০০ টাকা, মাঝারি রুই ৩০০ টাকা ও কাতল ৩৫০ টাকা।

রোজা শেষ হয়ে গেলেও কমেনি ডালের দাম। ভালো মসুর ডাল ১২৫-১৩০ টাকা আর আমদানি করা মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকা কেজি দরে। মুগ ডাল ৯০-১০০ ও অ্যাংকর ৪০ ও খেসারি ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। প্রতি কেজি সাদা চিনি ৩৮ ও দেশী লাল চিনি ৪৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

আরও পড়ুন