বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রাম-বান্দরবান যান চলাচল শুরু

Bandarban-Flooবান্দরবান-চট্টগ্রাম সড়কে তিন দিন পর যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। প্লাবিত অঞ্চলগুলো থেকে বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় রবিবার সকাল থেকে ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন বন্যাদুর্গতরা। তবে পাহাড় ধসে জেলা শহরের কালাঘাটা, বালাঘাটা, বনরূপাপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে রবিবারও অনেক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। সাঙ্গু নদীর পানি এখনো বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জনপ্রতিনিধিরা জানান, বন্যা ও পাহাড় ধসে বান্দরবানে এবার প্রায় ৪০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যার পানি নামলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে এখনো শত শত পরিবার অবস্থান করছে। তবে বন্যার পানি নামতে শুরু করার দুর্গত মানুষদেরও ঘরে ফিরতে দেখা গেছে। বান্দরবান-কেরানীহাট প্রধান সড়কের বাজালিয়া এলাকা থেকে পানি নেমে যাওয়ায় বান্দরবানের সঙ্গে চট্টগ্রামসহ সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ চালু হয়েছে। তবে বান্দরবান-রাঙ্গামাটি ও রুমা-থানছি সড়ক ১১ দিন ধরে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুছ জানান, বান্দরবান-চট্টগ্রাম সড়কে যানচলাচল শুরু হয়েছে। কিন্তু অভ্যন্তরীণ অনেক সড়কে যোগাযোগ এখনো বিচ্ছিন্ন রয়েছে। প্লাবিত অঞ্চলগুলো থেকে নেমে যাচ্ছে বন্যার পানি। সাঙ্গু নদীর পানি এখনো বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

অপরদিকে বান্দরবানে জেলা প্রশাসন এবং পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে। সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শফিকুল ইসলাম জানান, বৃষ্টিতে জেলা শহরের অনেক স্থানে ছোট-বড় পাহাড় ধসে প্রায় ২৫টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যাদুর্গত ৭০০ পরিবারের মধ্যে পাঁচ কেজি করে চাল এবং পার্বত্য জেলা পরিষদের পক্ষে ১৫০০ পরিবারের মধ্যে পাঁচ কেজি করে চাল ও টাকা বিতরণ করা হয়েছে। দুর্গতদের তালিকা তৈরি করে ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার থেকে অবিরাম বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে বান্দরবানে বন্যা ও পাহাড় ধসে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।

আরও পড়ুন