মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচল বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মঙ্গলবারও চতুর্থদিনের মতো দেশের বিভিন্ন স্থানে অবরোধ, বিক্ষোভ, যানবাহন ভাংচুর, মানববন্ধন পালন করছেন চালক-মালিকরা। এসব কর্মসূচির ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ও অবরোধকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এতে বিভিন্ন মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
এদিকে সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বেশি কিছু মহাসড়কেও আজও অটোরিক্সা চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি, মহাসড়কে অটোরিক্সা চালাতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না করলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চালক ও শ্রমিকরা। গত ঈদুল ফিতরের আগে ও পরে সড়ক দুর্ঘটনায় শতাধিক মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় ২৩ জুলাই সচিবালয়ে এক পর্যালোচনা সভায় সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেন।
সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে ২৭ জুলাই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়। ঘোষণা অনুযায়ী ১ আগস্ট শনিবার থেকে মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে শনিবার বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে জরিমানা করা হলেও অধিকাংশ রাস্তায় অটোরিকশা ও টেম্পো চলে। মঙ্গলবার সকালেও বিভিন্ন মহসড়কে অটোচালকদের অবরোধের কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়।
এদিকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এম এ এন ছিদ্দিক বলেছেন, জাতীয় মহাসড়কে তিন চাকার যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি ঠিকমত না বুঝেই চালকরা আন্দোলনে নেমেছেন । তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশের আড়াই লাখ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে মাত্র তিন হাজার ৫৭০ কিলোমিটার জাতীয় মহাসড়কে তিন চাকার যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে; যা মোট সড়কের ১ দশমিক ৪২ শতাংশ। দ্রুতগতির যানের সঙ্গে একই সড়কে ধীরগতির বাহনের চলাচলকে মহাসড়কে দুর্ঘটনার ‘অন্যতম কারণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেন সচিব।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


