ক্ষমতায় বসার পরপরই ভারতবাসীকে যোগ শেখানোর এক মহাযজ্ঞ শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর এর প্রচার প্রচারণায় রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে ইতিমধ্যে খরচ করেছে ফেলেছেন বিপুল অংকের অর্থও খরচ করে ফেলেছন।
ভারতীয় দৈনিক টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যোগ শেখানোর নামে শুধু ক্ষুদ্রেবার্তা (SMS) প্রচারেই প্রায় ১৫ কোটি রুপি খরচ করে ফেলেছেন নরেন্দ্র মোদি। এছাড়া আনুষঙ্গিক খরচ তো আছেই।
গত ২১ জুন ছিল আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। নরেন্দ্র মোদির জোরজুড়িতেই জাতিসংঘ দিনটিকে বিশ্ব যোগ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই অতিউৎসাহ দেখে, তার সঙ্গে সাধারণ মানুষও শামিল হয়। যে কোনও দিন যোগ করেনি হুজুগে পড়ে তাকেও দেখা গেছে যোগ করতে। এই দিনটিকে সফল করতে প্রচুর টাকা প্রচারের পেছনে খরচ করেছে মোদি সরকার।
জনৈক পরাগ পেটেলের RTI পিটিশন থেকে জানা গেছে, লোকজনের মোবাইল ফোনে গুচ্ছ গুচ্ছ ক্ষুদেবার্তা পাঠাতেই সরকারি কোষাগার থেকে খরচ হয়েছে ১৫ দশমিক ৮৩ কোটি রুপি। সাধারণত একটি বান্ডেলে ৫ লাখের ওপর ক্ষুদেবার্তা পাঠাতে প্রতি বার্তায় খরচ হয় ৮ পয়সা। হিসাব কষে দেখা যায়, এক সপ্তাহে যোগের প্রচার করতে ১৯৩ কোটি ক্ষুদেবার্তা ছাড়া হয়েছে।
২০১৪ সালের টেলিকম সাবস্ক্রিপশনের ডাটা অনুযায়ী, ভারতে মোবাইল ফোনের গ্রাহক ৯৩ কোটি। সেই হিসাবে এক একজন গ্রাহক কমপক্ষে দু’বার করে ক্ষুদেবার্তা পেয়েছেন।
শুধু ক্ষুদেবার্তাই নয়, টিভি, রেডিও, ইন্টারনেট, ওয়ালপেপারেও যোগের প্রচার হয়েছে। কোটি কোটি রুপি খরচ হয়েছে।
নয়াদিল্লি সংবাদদাতা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


