বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

ইরোটিকা ও পর্নোগ্রাফির পার্থক্য বুঝতে হবে আগে

Taslima-Nasrin-Copyনারীবাদী লেখিকা তসলিমা নাসরিন ভারতের পর্নগ্রাফি নিষিদ্ধ হওয়া নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ভারতে পর্নোগ্রাফি নিষিদ্ধ হওয়া নিয়ে একটা কলাম লিখেছিলাম, সেটা কেন ছাপা হলো না পত্রিকায় বুঝতে পাচ্ছি না। কী জানি কেউ বোধহয় ভেবেছে লেখাটাতে সেক্স বড্ড বেশি। বলতে পারেন পর্নোগ্রাফিতে সেক্স থাকবে না তো কোথায় থাকবে সেক্স!

তসলিমা নাসরিন বলেন, বেশির ভাগ পর্নোগ্রাফিতে অবশ্য সেক্স এর চেয়ে মেয়েদের degrade করাটাই বেশি। যেখানে মেয়েদের abuse করা নেই, মেয়েদের যৌনদাসী বানানো নেই, মেয়েদের প্রতি রেসপেক্ট আছে, মেয়েদের ইচ্ছের দাম আছে, যে পর্ন গুলোকে ফিমেল ফ্রেন্ডলি পর্ন বলা হয়, সেগুলোকে আমি পর্ন বলি না, বলি ইরোটিকা। পর্ন শব্দের মানে যৌনদাসী, ইরোস শব্দের মানে প্রেম। নামেই ওদের পরিচয়।

নারীবাদী এই লেখিকা বলেন, আমার নিমন্ত্রণ নামের উপন্যাসিকা পড়ে লোকে বলেছে উফ সেক্স বড্ড বেশি। নিমন্ত্রণে একটা কিশোরীকে সাত পুরুষ মিলে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের মধ্যে লোকে সেক্স কী করে পায় বুঝি না। সেক্স আর যেখানেই থাক, ধর্ষণে নেই। ধর্ষণে ভায়োলেন্স আছে, পুরুষের domination আছে। আগে তো কোনটা সেক্স, কোনটা ধর্ষণ বোঝো। এটা বুঝলে ইরোটিকা আর পর্নোগ্রাফির মধ্যে তফাত টাও বুঝতে পারবে।

নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *