ক্রিকেটার সৌম্য সরকার দেখছেন অ্যাশেজ সিরিজের প্রতিটি বল। অস্ট্রেলিয়ার কুপোকাত হওয়া দেখছেন। সৌম্যর ইচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দলের টেস্ট একাদশে থাকার।
সৌম্য বললেন, ‘খেলা তো দেখছি। অ্যাশেজ অনেক বড় খেলা। ওখান থেকে কিছু নেওয়ার চেষ্টা করি। যা দেখছি এবং নিচ্ছি তা কাজে লাগানো যাবে। অস্ট্রেলিয়া দেশে এলে তাদের বিরুদ্ধে কাজে লাগানো যাবে।’
অস্ট্রেলিয়ান পেস বোলারদের নিয়েই ভাবছেন সৌম্য সরকার। বললেন, ‘জনসন দ্রুত বল করে। তার হাতটাই দ্রুত চলে। এতে সে সুযোগটা পায়। ওদের পেসটা অনেক বড় ব্যাপার। ওখানে যেভাবে বল করছে হয়তো আমাদের এখানে এভাবে করলে হবে না। আমাদের ব্যাটসম্যানরা যদি ঠিকভাবে খেলে, অবশ্যই তাদের খেলা সম্ভব।’
এখন পর্যন্ত ১৬ ওয়ানডেতে প্রায় ৫০ গড়ে একশোর বেশি স্ট্রাইকরেটে এক সেঞ্চুরি ও চার ফিফটিতে ৬৯২ রান করলেও টেস্ট ইনিংসটা বড় করতে পারছেন না তিনি। তিন টেস্ট পর দলে থেকেও একাদশে জায়গা হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সবশেষ সিরিজে। ৫ ইনিংসে সম্ভাবনা জাগিয়েও ত্রিশের ঘরে আউট হয়েছেন। বিষয়গুলো মাথায় আছে সৌম্য সরকারের। তিনি বলেন, ‘আমি যে সময় ব্যাটিং করছি বা আমি যে সময় খেলব ওই সময়ে দলের কী অবস্থা, আমার কী করা উচিত এ ব্যাপারগুলো যত দ্রুত আমি ধরতে পারি ততই ভালো। ভুলগুলো থেকে বাইরে আসার চেষ্টা করব।’
ওয়ানডের মতোই টেস্ট ক্রিকেটও নিজেকে ভালো অবস্থানে দেখতে চান বাংলাদেশের নতুন নিউক্লিয়াস সৌম্য সরকার। টেস্ট মেজাজ আর ম্যাচে দলের অবস্থা অনুযায়ী নিজের দায়িত্বটা দ্রুত ধরতে পারলেই, সাদা পোশাকেও খাপ খাইয়ে নিতে পারবেন বলেই বিশ্বাস তাঁর। সৌম্য বলেন, ‘টেস্টে ভালো একটা অবস্থানে নিজেকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব।’
সৌরভ গাঙ্গুলির মতোই তাঁর ড্রাইভটাও বেশ পছন্দ সৌম্যর। পছন্দ যেমন যে কোনো পরিস্থিতিতেই নিজের স্বাভাবিক খেলায় অবিচল থাকা। টেস্টে এবার নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার যে চেষ্টার কথা শুনিয়েছেন সাতক্ষীরার এ তরুণ, সে চ্যালেঞ্জ তিনি কেমন করবেন তার জন্য অপেক্ষা।
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


