মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৮৫তম জন্মবার্ষিকী আজ শনিবার। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বামী, পুত্র, পুত্রবধূ ও নিকট আত্মীয়-স্বজনসহ ঘাতকদের হাতে তিনিও নির্মমভাবে শাহাদত বরণ করেন যা জাতির ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।
শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। বাঙালির অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধুর একজন যোগ্য ও বিশ্বস্ত সহচর। বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব আমৃত্যু স্বামীর পাশে থেকে দেশ ও জাতি গঠনে অসামান্য অবদান রাখেন।
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৮৫ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছার আদর্শ ও দৃষ্টান্ত যুগে যুগে বাঙালি নারীর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। এই মহান নারীর জীবনী চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে প্রত্যাশা করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবন, বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের অনেক অজানা অধ্যায় সম্পর্কে তারা ধারণা পাবে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে আরও বলেন, এ মহীয়সী নারী ছিলেন সহজ-সরল নিরহঙ্কারী। স্বামী একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের প্রতিষ্ঠাতা, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি হওয়া সত্ত্বেও সাধারণ জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছিলেন তিনি। একজন সাধারণ বাঙালি নারীর মতো তিনি স্বামী-সংসার, আত্মীয়-স্বজন নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার পরে দেশ গঠনে তাঁর অসাধারণ ভূমিকার কারণে তিনি ছিলেন স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যে উজ্জ্বল।
বঙ্গমাতার ৮৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


