যুদ্ধাপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে সোচ্চার ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীকে ফোন করে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার সন্ধ্যায় তার মোবাইলে কল দিয়ে ‘বেশি বাড়াবাড়ি করলে নিলয়ের মতো অবস্থা হবে’ বলে ওপাশ থেকে লাইন কেটে দেওয়া হয় বলে জানান তিনি।
যুদ্ধাপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আন্দোলনরত গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী ও ব্লগার নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায় নিলয়কে শুক্রবার ঢাকার গোড়ানে নিজের বাসায় হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীও শুরু থেকেই গণজাগরণ আন্দোলনে সক্রিয় আছেন। যুদ্ধাপরাধের বিচারের পক্ষে জনমত তৈরিতে ভূমিকা রয়েছে একাত্তরের এই বীরাঙ্গনার। ধর্মীয় গোড়ামির বিরুদ্ধেও অবস্থান রয়েছে তার।
যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধের দাবিতে ২০১৩ সালে শাহবাগে এক অনশনে অংশ নেন ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী।
প্রিয়ভাষিণী জানান, শনিবার ৮ আগস্ট সন্ধ্যায় বেঙ্গল গ্যালারিতে একটি চিত্রকর্ম প্রদর্শনীর অনুষ্ঠানে ছিলেন তিনি। এ সময় অজ্ঞাত পরিচয় একটি জিপি নম্বর থেকে তার নম্বরে কল করা হয়।
তিনি বলেন, একটি পুরুষ কণ্ঠে হত্যার হুমকি দেওয়ার সময় তার পরিচয় জানতে চাইলে সে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে। তুই তোর মায়ের সাথে থকিস, সাবধান।
এর প্রায় ১০ মিনিট আগে তার ছেলে কারু তিতাসকেও একই নম্বর থেকে ফোন করে গালাগালি ও হুমকি দেওয়া হয় বলে জানান ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


