বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

জনকণ্ঠের আদালত অবমাননার শুনানি পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে

HIgh-crtআদালত অবমাননার অভিযোগে দৈনিক জনকণ্ঠের সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ আতিকউল্লাহ খান মাসুদ ও নির্বাহী সম্পাদক স্বদেশ রায়ের বিরুদ্ধে দেওয়া রুলের শুনানি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে। আজ রোববার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

বিচার বিভাগ নিয়ে ‘কুৎসা রটনামূলক’ উপসম্পাদকীয় প্রকাশের ব্যাখ্যা চেয়ে গত ২৯ জুলাই জনকণ্ঠের সম্পাদক ও প্রকাশক এবং নির্বাহী সম্পাদকের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল দেন আপিল বিভাগ। তাঁদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

রবিবার ৯ আগস্ট সকালে তাঁদের উপস্থিতিতে রুলের শুনানি শুরু হয়। জনকণ্ঠের পক্ষে আইনজীবী সালাউদ্দিন দোলন তিনটি আবেদন দাখিল করেন। এর মধ্যে প্রথম আবেদনটি ছিল প্রধান বিচারপতিকে বাদ দিয়ে আপিল বিভাগের বেঞ্চ পুনর্গঠন করে রুল শুনানি করা। শুনানি শেষে এ আবেদন নামঞ্জুর করেন আদালত। এরপর রুলের শুনানি শুরু হয়। তবে বেলা সাড়ে ১১টায় বিরতির পর প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আমরা সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি এই হিয়ারিংটি আমরা লার্জার বেঞ্চে করব। কারণ এখানে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ইনটেগ্রিটির প্রশ্ন জড়িত। বিচার বিভাগের ইনটেগ্রিটি কাচের দেয়ালের মতো নয়। যে একটি ইট ঠুকে মারলে সেটা ঝনঝন করে পড়ে যাবে। এ বিবেচনায় আমরা এটা লার্জার বেঞ্চে শুনব।’ আগামীকাল সাত বিচারপতির বেঞ্চে রুলের শুনানি হবে।

১৬ জুলাই জনকণ্ঠের ষষ্ঠ পৃষ্ঠায় ‘সাকার পরিবারের তৎপরতা: পালাবার পথ কমে গেছে’ শিরোনামে উপসম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়। ওই উপসম্পাদকীয়টির লেখক স্বদেশ রায়।

সালাউদ্দিন দোলন বলেন, আমরা তিনটি আবেদন দাখিল করেছি। এর মধ্যে একটি ছিল বিচারিক বেঞ্চ পরিবর্তনের। সেটা আদালত খারিজ করে দিয়েছেন। ১৬ জুলাই যে উপসম্পাদকীয় প্রকাশ হয়েছে এরপর থেকে সালাউদ্দিন কাদের সম্পর্কিত লেখাগুলো আদালতে জমা দিতে বলা হয়েছে।
জনকণ্ঠের সম্পাদক আতিকউল্লাহ মাসুদ বলেন, ‘মামলার বিষয়ে এখনই গণমাধ্যমে সবকিছু বলা যাবে না। এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলা।’

নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।

আরও পড়ুন