ঢাকার শান্তিনগর থেকে কেরানিগঞ্জের ঝিলমিল প্রকল্প পর্যন্ত ১৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্লাইওভার নির্মাণের জন্য সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত হয়েছে। অাগামীকাল ১১ আগস্ট মঙ্গলবার রাজউক ভবনে এ বিষয়ে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও সিআরসিসির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হবে। চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন কোম্পানি কো-অপারেশন (সিআরসিসি) লিমিটেড এ ফ্লাইওভার নির্মাণ করবে।
সোমবার গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররাফ হোসেনের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করা হয়।
সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ, রাজউকের চেয়ারম্যান জি এম জয়নাল আবেদীন, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এস এম আরিফ-উর-রহমান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) চেয়ারম্যান আব্দুচ সালাম, রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী (বাস্তবায়ন) মো. হাফিজুর রহমান মুন্সি, প্রধান প্রকৌশলী (প্রকল্প ও ডিজাইন) মো. আনোয়ার হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পিপিপি প্রকল্পের আফসার উদ্দীন, সিআরসিসি’র সিনিয়র এডভাইজার চাই সি, ভাইসপ্রেসিডেন্ট হু ফান, ম্যানেজার মা সিয়াওজিং সহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
রাজউকের পক্ষে চেয়ারম্যান জি এম জয়নাল আবেদীন ও সিআরসিসি’র পক্ষে ভাইস-প্রেসিডেন্ট হু ফান সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করবেন। সভায় চট্টগ্রামের মুরাদপুর থেকে বহদ্দরহাট পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের বিষয়েও আলোচনা করা হয়। চউকের নিজস্ব অর্থায়নে এ ফ্লাইওভারটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
এ সময়ে জানানো হয়, এ ফ্লাইওভারটি চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমান বন্দর পর্যন্ত সম্প্রসারণের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। তার আলোকে সম্প্রসারিত এ অংশ নির্মাণের কাজও সিআরসিসি করবে। মঙ্গলবার রাজউক কার্যালয়ে এ বিষয়েও চউক ও সিআরসিসি’র মধ্যে আরো একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে। সম্প্রসারিত এ অংশ হবে প্রায় ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ।



