সংসদ সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, আইনের শাসন, টেকসই, অন্তভূর্ক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক উন্নয়নে সিপিএভূক্ত দেশগুলোকে একযোগে কাজ করার আহ্ববান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ও সিপিএর চেয়ারপারসন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
মঙ্গলবার কেনিয়ার নাইরোবিতে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি এসোসিয়েশনের ৪৬তম আফ্রিকান অঞ্চলের সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে তিনি এ আহ্বান জানান। সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সম্মেলনে আফ্রিকা অঞ্চলের সিপিএভূক্ত ১৮ টি সদস্য রাষ্ট্রের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকারসহ ও সংসদ সদস্যগণ অংশগ্রহণ করেন।
স্পিকার বলেন, তরুন সংসদ সদস্যসহ তরুন প্রজন্মকে একই প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন ইস্যুতে কাজ করতে হবে। তরুন সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অংশগ্রহন নিশ্চিতকরনে সিপিএ কাজ করে যাচ্ছে। জনগণের কল্যাণ, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে শক্তিশালী করণ, সুশাসন এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরনে কমনওয়েলথভূক্ত দেশগুলিতে সিপিএ কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, বাজেট প্রণয়ন থেকে শুরু করে বাজেট বাস্তবায়নে সংসদ কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে। তাই সরকারী হিসাবকে জবাবদিহিতার মধ্যে এনে সিপিএভূক্ত দেশসমূহের সংসদের ক্ষমতা ও নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।
স্পিকার বলেন, বর্তমান বিশ্বে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য। সংসদ সদস্যদের কাজের গতি বাড়াতে ও আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের মাঝে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে ।
সিপিএ চেয়ারপারসন বলেন, আমরা সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা থেকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার দিকে অগ্রসর হচ্ছি। তাই এই প্রক্রিয়ায় প্রতিফলিত জনগণের আশা আকাঙ্খা বাস্তবায়নে কমনওয়েলথভূক্ত দেশসমূহের সংসদ সদস্যদের একযোগে কাজ করতে হবে।
স্পিকার জলবায়ু পরিবর্তন ও এর ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় সিপিএসহ সকলকে একযোগে কাজ করার আহবান জানান। তিনি খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, জেন্ডার সমতা, দারিদ্র্য বিমোচন, স্বাস্থ্য, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন, জ্বালানি নিরাপত্তা, শান্তি ও নিরাপত্তা সহ সকল ইস্যুতে সিপিএভূক্ত দেশসমূহকে একযোগে কাজ করার আহবান জানান।


