পয়েন্ট অব সেল বা পস মেশিনকে একটি প্লাটফর্মে নিয়ে আসছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এটা হলে একটি পস মেশিন দিয়ে সব ব্যাংকের গ্রাহক লেনদেন করতে পারবেন।
বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভোগ্যপণ্য সরবরাহ সমবায় সমিতির দোকান থেকে পস মেশিনে পণ্য কেনার মাধ্যমে সেবাটির উদ্বোধন করবেন গভর্নর ড. আতিউর রহমান।
পস মেশিন হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নগদ টাকার পরিবর্তে ডেবিট কিংবা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে পণ্য কেনাকাটা করা যায়। বিভিন্ন ধরনের সেবার মাশুলও দেয়া যায়।
বর্তমানে চারটি ব্যাংকের পস অবকাঠামো আছে। ব্যাংকগুলো হলো পূবালী, ডাচ্-বাংলা, সিটি ও ট্রাস্ট ব্যাংক। এ চার ব্যাংককে একটি প্লাটফর্মে আনছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এটা করা হলে সব কার্ড ইস্যুয়ার ব্যাংক ও অ্যাকোয়ার ব্যাংকের মধ্যে একটি যোগসূত্র তৈরি হবে। যে ব্যাংক কার্ড ইস্যু করে, তাকে ইস্যুয়ার ব্যাংক বলে। আর যে ব্যাংকের পস মেশিন ব্যবহার করা হয়, তাকে অ্যাকোয়ার ব্যাংক বলে।
মূলত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচের আওতায় আনার মাধ্যমে এ যোগসূত্র তৈরি হবে। এটা হলে ব্যাংকগুলোকে বিক্রেতাদের বাড়তি কোনো চার্জ দিতে হবে না।
পস লেনদেনে চার্জ ব্যাংক ও মার্চেন্টের মধ্যে দরকষাকষির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। চার্জটা মূলত মার্চেন্টের কাছ থেকে আদায় করে ব্যাংক। গ্রাহককে এক্ষেত্রে বাড়তি কোনো অর্থ পরিশোধ করতে হয় না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা এ প্রসঙ্গে বলেন, পস মেশিন ইন্টার অপারেবল (আন্তঃব্যাংক লেনদেন) হলে সেক্ষেত্রে বড় ধরনের উন্নয়ন ঘটবে। ফলে একটি পস মেশিনে সব ব্যাংকের গ্রাহক লেনদেন করতে পারবেন। এর চেয়ে বড় কথা, সেবাটি চালু হলে প্রতিটি ইস্যুয়ার ব্যাংককে অ্যাকোয়ার ব্যাংকের সঙ্গে আলাদা চুক্তি করতে হবে না।


