চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় আগের মতো ইলিশের দেখা মিলছে না। অথচ ভরা বর্ষায় জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে নানা আকারের ইলিশ ধরা পড়তো। তাই জেলেদের মুখে হাসি নেই। এমন পরিস্থিতিতে প্রাপ্ত ইলিশ, নদীর তলদেশের মাটি আর পানি নিয়ে গবেষণা শুরু করেছেন-মৎস্য বিজ্ঞানীরা। এতে নাব্য সঙ্কট এবং নদী দূষণকেই দায়ী করছেন তারা।
চলতি বছরের জুলাই মাসে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। উজান থেকে দক্ষিণের সাগরে পদ্মা-মেঘনা বেয়ে পানির স্রোত নেমেছে। আর এই সময়ইে ইলিশের ঝাঁক সাগর ছেড়ে ছুটে আসতো পদ্মা-মেঘনায়। কিন্তু জেলেদের জালে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ মিলছে না।
গভীর পানি এবং পরিভ্রমণশীল ইলিশ মাছ মৌসুমের এই সময় স্রোতের বিপরীতে খাবারের সন্ধানে ছুটে আসে নদীতে। তবে নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে তা এখন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করছেন মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের ইলিশ গবেষক।
চাঁদপুরে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের মৎস্য বিজ্ঞানী ডা. আনিসুর রহমান বলেন, ‘পানিতে খাদ্য ঘাটতি এবং জাটকার প্রাচুর্যতাও কম রয়েছে। সেজন্য ইলিশও কম পাওয়া যাচ্ছে। নাব্যতা সংকটও ইলিশের ঘাটতির জন্য দায়ী।’
চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনার ৬০ কিলোমিটার নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে অর্ধ লক্ষ জেলে। এদের মধ্যে সরকারি তালিকায় জেলার হাইমচর, চাঁদপুর সদর, মতলব দক্ষিণ ও দক্ষিণ উপজেলায় রয়েছে ৩৬ হাজার জেলে।
সংবাদদাতা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


