নীলফামারীর সৈয়দপুরে পুলিশবাহী একটি পিকআপ ভ্যানে ট্রেনের ধাক্কায় আহত পুলিশ কনস্টেবল ফারুক হোসেনও মারা গেছেন। তিনি সৈয়দপুর থানায় কর্মরত ছিলেন। তিনি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার বেলপাশা গ্রামের আব্দুল হাশেম হাওলাদারের ছেলে।
নীলফামারীর সহকারী পুলিশ সুপার (সৈয়দপুর সার্কেল) এ এস এম সাজেদুর রহমান জানান, শনিবার সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফারুকের মৃত্যু হয়।
শুক্রবার রাতে সৈয়দপুর শহরের অদুরে ঢেলাপীর-পোড়ার হাট সড়কের রেলগেটে ট্রেনের সঙ্গে পুলিশের পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষের পর রাতেই সৈয়দপুর থানার তিন কনস্টেবলের মৃত্যু হয়।
এরা হলেন- দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার পাওয়ার হাউজ কলোনি গ্রামের আকবর আলীর ছেলে সামসুল আলম ও চিরিরবন্দর উপজেলার আব্দুল্লাহ্পুর গ্রামের আনছার আলীর ছেলে শরিফুল ইসলাম এবং কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার নেওয়াসী হাজীরভিটা গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে মাইদুল ইসলাম।
পুলিশ কর্মকর্তা সাজেদুর রহমান বলেন, শুক্রবার রাতে গোপন তথ্য পেয়ে পিকআপ ভ্যান ও মোটরসাইকেল নিয়ে সৈয়দপুর থানার ওসি ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্ব ১৫ সদস্যের পুলিশের দল উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের দিকে যাচ্ছিল। রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢেলাপীর-পোড়ার হাট রেলগেট পার হওয়ার সময় নীলফামারী থেকে ঢাকাগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কা লাগে পিকআপের পেছেনের অংশে। এসময় ঘটনাস্থলেই নিহত হন কনস্টেবল সামসুল ইসলাম।
সৈয়দপুর থানার ওসি ইসমাইল হোসেনসহ আহত ১০ জনকে সৈয়দপুর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া পথে শরিফুলের মৃত্যু হয়। আর মধ্য রাতে সৈয়দপুর হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাইদুল ইসলামের মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় অপর আহতরা হলেন- সৈয়দপুর থানার এসআই নাজমুল হোসেন, এএসআই আব্দুল আজিজ, কনস্টেবল রিপন চন্দ্র চৌধুরী, মো. সাদ্দাম হোসেন, মো. কবির হোসেন, ও পিকআপ ভ্যানের চালক মোকছেদ আলী। এদের মধ্যে প্রথম চারজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বাকি তিনজন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।


