বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

পুলিশকে অর্থ পাচারের তদন্তভারে আইনের অপব্যবহার হবে: দুদক

1427036358দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাশাপাশি অর্থ পাচার বিষয়ে তদন্ত এবং মামলা করার একক কর্তৃত্বও হারিয়েছে সংস্থাটি। প্রতারণা, আত্মসাৎ ও জালিয়াতির মামলার তদন্তভার সরাসরি পুলিশের এখতিয়ারে রেখে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া আইনের খসড়াটির সোমবার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ বিষয়ে দুদকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দুুদকের পাশাপাশি পুলিশকে যদি অপরাধের তদন্তভার দেয়া হয়, তবে সেক্ষেত্রে ‘দ্বৈত শাসন’-এর উদ্ভব হতে পারে। এতে দুদকের ক্ষমতাও খর্ব হয়ে যাবে; যা একটি স্বাধীন সংস্থা হিসেবে দুদকের ভাবমূর্তিও নষ্ট করবে। এতে আইনের অপব্যবহার হওয়ার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে বলেও মন্তব্য করে সংস্থাটি।

সংস্থাটির দাবি, বিদ্যমান ‘মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২’তে অর্থ পাচার-সংক্রান্ত যেকোনো বিষয় তদন্ত ও মামলা করার দায়িত্ব এককভাবে দুদককে দেয়া হয়েছে এটি সত্যি। এ ধরনের মামলা তদন্তের ক্ষেত্রে সংস্থাটি বেশ ভালো সাফল্য দেখিয়েছে। এ পর্যন্ত (২০১৪) ২৮৫টি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২৫৫টির ক্ষেত্রে মামলা রুজু করা হয়েছে। এসব অভিযোগে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। চার্জশিট দেয়া হয়েছে ১৬২টি অভিযোগের ক্ষেত্রে। তিনটি মামলায় সাজা হয়েছে। ১৬৩ কোটি টাকা ফেরত আনা হয়েছে। একই পরিমাণ অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তাই এ ধরনের মামলার তদন্তভার দুদকের কাছে থাকা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, দুই সংস্থার দ্বন্দ্বের কারণে পুরো বিষয়টি নিষ্পত্তির ভার ছেড়ে দেয়া হয় আইন মন্ত্রণালয়ের হাতে। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের সিদ্ধান্তেই এখন মানি লন্ডারিং আইনটি সংশোধন করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন